Main Menu

চাহিদামতো টাকা না দেওয়ায় ‘সোর্স শাহীন’ -এর বিরুদ্ধে আসামিকে বেদম মারধর করার অভিযোগ

[Web-Dorado_Zoom]
প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পুলিশের তথ্যদাতা (সোর্স) বলে পরিচিত শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার শাহীন ওরফে ‘সোর্স শাহীন’ -এর বিরুদ্ধে টাকা না পেয়ে এক আসামিকে বেদম মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। মারধরের পর তাঁকে পৃথক তিন মামলায়ও জড়ানো হয়।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি হলেন স্থানীয় বণিকপাড়া এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক রাকিব খন্দকার। মারধরের আগে মুঠোফোন থেকে তাঁর এক স্বজনকে টাকার জন্য চাপ দেন থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বশির আহমেদের ওই তথ্যদাতা।
রাকিবের স্ত্রী নাসিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ওই তথ্যদাতার চাহিদামতো টাকা না দেওয়ায় ২৫ জানুয়ারি রাকিবকে অমানবিকভাবে পেটানো হয়েছে। পরে তাঁকে বিস্ফোরক, ছিনতাই ও ডাকাতির পৃথক তিন মামলায় জড়ানো হয়। তাঁর চোখে মারাত্মক আঘাতসহ হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রাকিবের ভাই শাহীন মিয়া বলেন, ‘এএসআই বশির তাঁর সোর্সকে দিয়ে রাকিবের মুঠোফোন থেকে আমার কাছে ফোন করান। এ সময় রাকিবকে বেধড়ক পেটানোর শব্দ আমাকে শোনানো হয়। আমার মুঠোফোনে কথোপকথনটি ধারণ করা আছে।’
বশির আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। সোর্স শাহীন যদি আমার নাম ভাঙিয়ে এমন কাজ করে থাকেন তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সদর মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহামঞ্চদ রাকিব খান বলেন, ‘এটি জঘন্যতম অপরাধ। এ বিষয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গত বছরের ১৪ নভেম্বর নারীসংক্রান্ত ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদৎ হোসেন ওরফে শোভনের ওপর বণিকপাড়ার একদল ছেলে হামলা করে। ওই ঘটনায় রাকিব খন্দকারসহ আরও চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়। মামলার পর রাকিবকে থানায় ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares