এক টিকিটে ১০-১২ যাত্রীর কাছে বিক্রি, ৮৩ ভুয়া টিকিটসহ ব্ল্যাকার কালু গ্রেফতার, তিন মাসের জেল
[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ভুয়া ট্রেনের টিকিট তৈরি করে বিক্রির অভিযোগে রিপন মিয়া ওরফে কালু (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন মিয়া পৌর শহরের উত্তর মৌড়াইল এলাকার হারুন মিয়ার ছেলে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম ও স্টেশন মাস্টার সাকির জাহান উপস্থিত ছিলেন।
রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র কম্পিউটারের মাধ্যমে ট্রেনের টিকিটে থাকা নাম ও তারিখ পরিবর্তন করে ফটোকপি তৈরি করত। পরে একই টিকিট ১০ থেকে ১২ জনের কাছে বিক্রি করে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হতো। এতে একই আসনের একাধিক যাত্রীকে ভোগান্তিতে পড়তে হতো। কখনো আসনে বসা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে বিরোধও সৃষ্টি হতো।
তিনি আরও জানান, সোমবার দুপুরে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে কালুকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৪০টি টিকিটে মোট ৮৩টি আসনের ভুয়া টিকিট পাওয়া যায়। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপেও এ ধরনের আরও ভুয়া টিকিট রয়েছে বলে জানান তিনি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তির কাছে বিপুলসংখ্যক আসনের টিকিট পাওয়া গেছে। একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে তিনি টিকিট মজুত করেছিলেন। তাঁকে হাতেনাতে আটক করে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে রেলপথে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



















