ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিনে শ্রদ্ধা, রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনের দাবি
[Web-Dorado_Zoom]
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি উত্থাপনকারী এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৪১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। এ সময় তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের পাশাপাশি স্মৃতি সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।
সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুন নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল বণিক, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো. জামাল, অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর জেলা সভাপতি জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. অরুনাভ পোদ্দার, প্রদ্যোৎ নাগ ও শামীমী সিকদার দীনা।
বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার যে বীজ রোপিত হয়েছিল, তার অন্যতম অগ্রপথিক ছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। ভাষা আন্দোলনের ডাকই ছিল স্বাধীনতার সূতিকাগার। অথচ জাতীয় জীবনে এই মহান ব্যক্তিত্বের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি।
তাঁরা বলেন, ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জীবন ও সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে স্মৃতিচিহ্ন, পাঠাগার ও গবেষণামূলক উদ্যোগ গ্রহণের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়ভাবে জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের দাবি জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সমাজকর্মী ও ভাষাসংগ্রামী। ১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন তিনি।
১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে তিনি শহীদ হন।
« কসবায় ছাত্রদলের কমিটি স্থগিতের দাবিতে বিক্ষোভ (Previous News)
(Next News) নবীনগরে মেঘনা নদী থেকে সেলসম্যানের মরদেহ উদ্ধার »



















