বাঞ্ছারামপুরে মানসিক হতাশা ও পারিবারিক কলহে গৃহবধূর আত্মহত্যা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মানসিক হতাশা ও পারিবারিক কলহের জেরে সুমি বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) ময়নাতদন্তের পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়নের চরশিবপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমি বেগম ওই গ্রামের বিল্লাল মিয়ার মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে হতাশ ছিলেন সুমি। মঙ্গলবার বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে তিনি চালের পোকা মারার কীটনাশকের ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে দ্রুত স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
নিহতের বাবা বিল্লাল মিয়া জানান, পারিবারিকভাবে একই এলাকার প্রবাসী মো. এনামুলের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা ভালো যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে সুমি স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তাকে স্বামীর বাড়িতে ফিরে যেতে বললেও তিনি রাজি হননি। এরপর থেকেই তিনি একাকিত্ব ও হতাশায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।



















