Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইসরাত অক্সফোর্ডে, পেলেন পূর্ণ বৃত্তি

[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেড়ে ওঠা ইসরাত জাহান সিদ্দিকী যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্লাভাটনিক স্কুল অব গভর্নমেন্টে মাস্টার অব পাবলিক পলিসি (এমপিপি) প্রোগ্রামে পড়ছেন তিনি।
ইসরাত ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। মানবাধিকার, নারী ও শিশুর অধিকার এবং ন্যায়বিচার নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
ইসরাতের শিক্ষাজীবন শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্রিসেন্ট কিন্ডারগার্টেনে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভঃ মডেল গার্লস হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর আইন বিষয়ে পড়াশোনার জন্য ভর্তি হন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে।
২০১৮ সালে আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার সময় ‘ম্যাগনা কাম লাউড’ সম্মাননা পান ইসরাত। ২০১৯ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
পড়াশোনার পাশাপাশি শিশু ও নারীর অধিকার নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন তিনি। ন্যাশনাল চিলড্রেনস টাস্কফোর্সের জেলা কমিটির সভাপতি, উই ক্যান বাংলাদেশের চেঞ্জমেকার এবং স্টুডেন্ট চেঞ্জমেকার ফোরামের জেলা আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠন, সেমিনার, আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায়ও অংশ নিয়েছেন।
কর্মজীবনে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন ইসরাত। জেন্ডার জাস্টিস, নারীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং আইন ও নীতির কার্যকর প্রয়োগ নিয়ে কাজ করার আগ্রহ থেকেই তিনি অক্সফোর্ডের এমপিপি প্রোগ্রামে আবেদন করেন।
২০২৬ সালের ১১ মার্চ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির প্রস্তাব পান ইসরাত। পরে জয়েন্ট জাপান/ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় বৃত্তির জন্য মনোনীত হন। ১ জুলাই বৃত্তির সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর ২৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের ভিসা হাতে পান তিনি। ১২ অক্টোবর থেকে তাঁর ক্লাস শুরু হয়েছে।
বৃত্তির আওতায় ইসরাতের টিউশন ফি, জীবনযাত্রার জন্য মাসিক ভাতা, যাওয়া-আসার বিমানভাড়া, ভ্রমণ ভাতা ও মৌলিক চিকিৎসাবিমার খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ভবিষ্যতে জেন্ডার জাস্টিস, নারীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আইন ও জননীতি নিয়ে কাজ করতে চান ইসরাত। অক্সফোর্ডে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বাস্তবতায় কাজে লাগানোই তাঁর লক্ষ্য।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares