ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকারি খাস পুকুর ভরাটের অভিযোগে তদন্ত, ভরাট কাজ বন্ধ, মুচলেকা
[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউনিয়নের ফতেপুর ঋষি বাড়ি সংলগ্ন সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত একটি পুকুর বালু দিয়ে ভরাটের অভিযোগে অভিযান ও সরেজমিন তদন্ত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তদন্তে সরকারি পুকুর শ্রেণির জমিতে ড্রেজার দিয়ে বালু ফেলে ভরাটের সত্যতা পাওয়ার পর ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছরিন আক্তার। এ সময় রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর শাহরিয়ার হাসান খান, সহকারী কমিশনার প্রিন্স সরকার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার একটি পুলিশ দল উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মজলিশপুর ইউনিয়নের ফতেপুর ঋষি বাড়ির পাশে ১ নম্বর সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত ০.৬৪০০ একর পুকুর শ্রেণির জমি ড্রেজারের মাধ্যমে বালু দিয়ে ভরাটের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরেজমিন তদন্তে দেখা যায়, পশ্চিমপাড়া ঋষি পরিবারের লোকজন সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত পুকুরে বালু ফেলে জমির শ্রেণি পরিবর্তন করেছেন। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানান, ভরাট করা জায়গায় একটি মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে মন্দির নির্মাণ কিংবা সরকারি জমি ভরাটের বিষয়ে তারা কোনো বৈধ অনুমোদন বা দলিলপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে লিখিত মুচলেকা দেন এবং ভরাট কার্যক্রম বন্ধ রাখতে সম্মত হন।
মুচলেকা প্রদানকারীদের মধ্যে হারাধন ঋষি (৬৫), শ্যামল ঋষি (৪৩) এবং পশ্চিমপাড়া ঋষি পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক ব্যক্তি রয়েছেন।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছরিন আক্তার বলেন, সরকারি খাস জমি, পুকুর ও জলাশয় ভরাট বা দখলের কোনো সুযোগ নেই। সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
« সরাইলে জিহাদ হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে মানববন্ধন (Previous News)



















