১৪ ঘণ্টা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়ে ২৬ ঘণ্টা পর এল গ্যাস, চরম ভোগান্তি
[Web-Dorado_Zoom]
জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে নির্ধারিত ১৪ ঘণ্টার পরিবর্তে প্রায় ২৫ ঘণ্টা পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌর এলাকা, সদর উপজেলা ও সরাইলের গ্যাস সরবরাহ চালু করা যায় নি। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী রাত ১০টার মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার কথা থাকলেও মেরামতকাজে বিলম্ব হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল হক জানান, কাজ প্রায় শেষের দিকে। তবে মেরামতকাজের সময় গ্যাসলাইনের ভেতরে খালের পানি ঢুকে যাওয়ায় কাজ করতে বেগ পেতে হয়েছে। এ কারণে সময় বেশি লাগছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার সকাল ১০টার দিকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।
এর আগে সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের পর বুধবার সকাল ১০টায় সরবরাহ স্বাভাবিক হলে অতিরিক্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা গ্যাসবিহীন থাকতে হবে গ্রাহকদের।
এদিকে দীর্ঘ সময় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। বাসাবাড়িতে রান্নাবান্না ব্যাহত হওয়ায় অনেক পরিবারকে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে। সেখানে দীর্ঘ লাইন ও খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাসের বিকল্প হিসেবে কেউ কেউ বৈদ্যুতিক চুলা, রাইস কুকার বা অন্যান্য ব্যবস্থা ব্যবহার করছেন।
গ্যাসনির্ভর হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও এর প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘ সময় গ্যাস না থাকায় রান্না ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও দুর্ভোগে পড়েছেন।
বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্বরোড এলাকায় থাকা পাঁচটি সিএনজি পাম্প ও বিসিক এলাকার জন্য পৃথক গ্যাসলাইন স্থাপনের কাজ চলছে। পৃথক লাইন স্থাপন করা হলে শিল্পকারখানা ও সিএনজি পাম্পগুলোতে গ্যাসের চাপ বাড়বে। পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকদের দুর্ভোগও কমবে।
« কসবায় মহাসড়কের পাশে বালু রাখায় তিনজনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা (Previous News)



















