Main Menu

নাসিরনগরে কৃষকের ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

[Web-Dorado_Zoom]

নিজস্ব প্রতিবেদক:: করোনাভাইরাসের কারণে হাওরবেষ্টীত নাসিরনগরে কৃষকরা জমিতে পাকা ধান নিয়ে পড়েছেন বিপাকে। অনেকেই অর্থের অভাবে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে পারছে না। কৃষকের আর্থিক অবস্থার কথা চিন্তা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অসহায় তিনজন কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছেন ‘ফুলকারকান্দি সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ’ নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
গত ২৪ এপ্রিল শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ফুলকারকান্দি গ্রামে ৫০ জন যুবক তিনজন কৃষকের ধান কাটে। পড়ে দুই কিলোমিটার পায়ে হেঁটে কৃষকের ধান মাথায় করে তাদের বাড়িতে পৌছে দিয়ে আসেন তাঁরা। তাদের এমন মানবিক উদ্যোগ এলাকার সাধারণ কৃষক আনন্দিত।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে আতঙ্কিত হয়ে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সে কারণে শ্রমিক সংকট আর্থিক অনটনের কারণে কৃষক ধান কাটতে পারছে না। ফুলকারকান্দি গ্রামের তিনজন কৃষক তাঁর পাকা ধান কাটতে পারছেনা বলে একটি সংবাদ পায় ওই সংগঠনের সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন। তখন তিনি সংগঠনের প্রায় পঞ্চাশজন সদস্য নিয়ে ওই কৃষকদের ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দেন।
ফুলকারকান্দি সমাজ কল্যাণ যুব সংঘের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, আমরা বিনা পারিশ্রমিকে তিনজন কৃষকের ধান কেটে দিয়েছি। দেশের এই ক্রান্তিকালে আমরা যুব সমাজ যদি এগিয়ে না আসি তাহলে কে দাঁড়াবে তাদের পাশে। তিনি আরো বলেন, সংগঠনের সকল সদস্যদের সাথ পারমর্শ করে এলাকায় যারা ধান কাটতে পারছে না তাদেরও ধান কাটার ব্যবস্থা করে দিব।
নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমা আশরাফী বলেন, যারা ঘরে অলস সময় কাটাচ্ছেন তারা চাইলেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অসহায় কৃষদের পাশে দাঁড়াতে পারেন। আজকে ‘ফুলকারকান্দি সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ’ যে কাজটি করেছে তা নাসিরনগরে উদাহরণ হয়ে থাকবে। এ সংগঠনকে অনুসরণ করে অন্যদেরও এগিয়ে আসা উচিত।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares