মোকতাদিরকে জামিন দিলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অচল হয়ে যাবে
সাবেক মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী সহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
২০১৩ সালের শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাইয়ের ঘটনাসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সাবেক সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি মুবারকুল্লাহর সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আলী আজম কাসেমী, সিনিয়র সহসভাপতি বোরহান কাসেমী, সহ-সভাপতি মুফতি মারুফ কাসেমী,আল্লামা তানভীরুল হক সিরাজী, খতমে নবুওয়াত মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা ইকবাল সিরাজি, মুফতি জাকারিয়া খান, মুফতি ইউসুফ ভুইয়া ও মাওলানা বেলাল হোছাইন প্রমুখ।
মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা শাপলা চত্বর, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং গত জুলাইয়ের ঘটনাগুলোর বিচার দাবি করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাজিদুর রহমান বলেন, শুনা যাচ্ছে সাবেক মন্ত্রী রবিউল মোকতাদিরকে জামিন দেওয়া হবে। জামিন দিলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অচল হয়ে যাবে। ‘শাপলা চত্বরের নৃশংস গণহত্যা, মোদিবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের রক্ত এবং চব্বিশের জুলাই গণহত্যা—কোনোটিই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসর খুনি ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীসহ সকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ জালিমকে ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না। একদিন না একদিন তাকে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। অন্যায়ভাবে একজন মুসলমানকে হত্যা করার চেয়ে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল্লাহর কাছে সহজ। তাই কোনো নিরপরাধ মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা যাবে না।
সভাপতির বক্তব্যে মুফতি মুবারকুল্লাহ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো রক্তচোষা আওয়ামী সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না। হাজারো আলেম-ওলামা ও নিরীহ জনতার রক্তের দায় নিয়ে খুনিদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে। অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের রাজপথের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।



















