ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পলিথিনের বিকল্প উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তরী বাংলাদেশের মতবিনিময়
[Web-Dorado_Zoom]
পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব বিকল্প ব্যাগের উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন **‘তরী বাংলাদেশ’**।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত ৮টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের নিউ মার্কেটে আয়োজিত এ সভায় জেলা ব্যবসায়ী সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, পলিথিন পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি নদী-নালা, খাল-বিল ও কৃষিজমির ক্ষতি করছে এবং নগর এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির অন্যতম কারণ। পরিবেশ রক্ষায় পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করে পাট, কাপড় ও কাগজের মতো পরিবেশবান্ধব উপকরণ দিয়ে তৈরি ব্যাগের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ব্যবসায়ী সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল কালাম বলেন, পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ ও বিকল্প ব্যাগ ব্যবহারে তরী বাংলাদেশের উদ্যোগকে ব্যবসায়ীরা সমর্থন করছেন। তিনি বলেন, পলিথিনের বিকল্প উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার বাড়াতে ব্যবসায়ী সমাজ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
আনন্দ বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. জালাল উদ্দীন বলেন, ভোক্তা পর্যায়ে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ না হলে নদী, কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তাই বাজারে দ্রুত বিকল্প ব্যাগের সরবরাহ বাড়াতে হবে।
এফ এ টাওয়ার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাজী জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া বলেন, পলিথিন ব্যবহার বন্ধে ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে পাট, কাপড় ও কাগজের ব্যাগ সহজলভ্য করার আহ্বান জানান তিনি।
তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে পলিথিনমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি। এজন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানো জরুরি।
ব্যবসায়ী ও জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম আবুল বাশার বলেন, অতীতে দেশে পলিথিন নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবারও সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি সকলের সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পলিথিনমুক্ত জেলার মডেল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এছাড়া সভায় বক্তব্য দেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সোহেল রানা ভূঁইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হৃদয় কামাল, সমবায় মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির মো. আকরাম হোসেন ও মহিদুল ইসলাম অপু এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া টাওয়ার ব্যবসায়ী সমিতির হুমায়ুন কবির।
সভায় তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী, রিফাত হাসান ভূঁইয়া, ব্যবসায়ী মো. আব্দুল বাছিরসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
« নাসিরনগর সরকারি কলেজে ইংরেজি ও আইসিটিতে অনার্সের অনুমোদন, হাওরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্ত (Previous News)



















