Main Menu

বিজয়নগরে হামদু মিয়া হত্যা: মামলার প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেপ্তার

[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি আবুল খায়ের (৫৫)কে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তার আবুল খায়ের বিজয়নগর উপজেলার বাগদিয়া বন্দের বাড়ি এলাকার মৃত আবদুল মন্নাফের ছেলে।
্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জমিজমা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে হামদু মিয়ার পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ আগে থেকেই চলে আসছিল। গত ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অভিযুক্তরা গরু দিয়ে হামদু মিয়ার জমির ফসল নষ্ট করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্ক হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
্যাব জানায়, প্রথম আসামি আবুল খায়েরের নির্দেশে অন্যরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামদু মিয়াকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামদু মিয়াকে রক্ষা করতে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলেই হামদু মিয়ার মৃত্যু হয়। আহত পরিবারের সদস্যদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।
সিলেট থেকে গ্রেপ্তার
হত্যাকাণ্ডের পর আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯-এর সিপিসি-১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিপিএসসি সিলেটের যৌথ দল রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি আবুল খায়েরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
্যাব জানায়, বিজয়নগর থানার মামলা নম্বর-৩, তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৬-এর এজাহারে আবুল খায়েরকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর, হুমকি ও চুরিসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর আবুল খায়েরকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব জানিয়েছে, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ কীভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দলবদ্ধ হামলা ও হত্যাকাণ্ডে রূপ নিল, সেটিই এখন মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে ঘটনায় অন্য আসামিদের ভূমিকা এবং বিরোধের বিস্তারিত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares