Main Menu

নবীনগরে ১৫ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে পাঁচ ইউনিয়নের মানুষ

[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কোনাঘাট থেকে শ্যামগ্রাম হয়ে মাঝিয়ারা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। কয়েকটি সেতুর সংযোগস্থলও ঝুঁকিপূর্ণ। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নবীনগরের পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের বাসিন্দা।
সড়কটি নবীনগর থেকে বাঞ্ছারামপুরের কড়ইকান্দি ফেরিঘাট হয়ে রাজধানী ঢাকায় যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গেছে। বৃষ্টির সময় গর্তে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রসুল্লাবাদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ের উত্তর-পূর্ব পাশের সেতু, বানিয়াচং গোরস্থানের উত্তর পাশের সেতু এবং মাঝিয়ারা বাজারে প্রবেশের সেতুর সংযোগস্থলের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। এসব স্থানে চলাচলের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।
রসুল্লাবাদ এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, “আমি সিজারের রোগী। চিকিৎসার জন্য নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। কিন্তু রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে অনেক সময় নিয়মিত চেকআপ করানো সম্ভব হয় না।”
শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান খান মাসুম বলেন, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জনদুর্ভোগ কমানো ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।
নবীনগর উপজেলা প্রকৌশলী মো. মাহবুব হোসেন বলেন, সড়কটির বেশির ভাগ অংশের অবস্থা খারাপ। সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু হবে।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি ও নবীনগরের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের বাঞ্ছারামপুর অংশের উদ্বোধন করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় ১ হাজার ১৩৫ কোটি টাকার বৃহত্তর আঞ্চলিক সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের পাশাপাশি কোনাঘাট থেকে শ্যামগ্রাম পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়ক দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। তাঁদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করবে, যাতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পান এলাকাবাসী।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares