Main Menu

তিতাসের তীরে অষ্টমীস্নানে পুণ্যার্থীদের ঢল, বসেছে লোকজ মেলা

[Web-Dorado_Zoom]

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা আর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্পন্ন হয়েছে অষ্টমী গঙ্গাস্নান। পূণ্যলাভ, জরাদেহের পাপমোচন এবং পরিবার ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় তিতাস নদীর পবিত্র জলে স্নান করতে ঢল নেমেছিল হাজারো পুণ্যার্থীর। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটে তিতাস নদীর তীরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্ত ও পুণ্যার্থীরা সমবেত হতে থাকেন। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এই গঙ্গাস্নানের আয়োজন করা হয়। এদিন তিথি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্নানপর্ব সম্পন্ন করেন ভক্তরা।

গঙ্গাস্নান শেষে বিশিষ্ট পাঠক নিত্যগোপাল চক্রবর্তী নিতাই বলেন, শাস্ত্রে বলা হয়েছে, এই গঙ্গাস্নানের মধ্য দিয়ে জরাদেহের পাপমোচন হয়। যেখানে ভক্তি সহকারে ভক্তরা সমবেত হন, সেখানে ভগবান বিরাজমান থাকেন। এই বিশ্বাস থেকে ভক্তরা গঙ্গা মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ফুল, বেল পাতা ও ফলফলাদি নিয়ে তিতাসের পাড়ে সমবেত হয়েছেন। স্নানে অংশ নেয়া সীমা রানী দাস বলেন, ‘গঙ্গাস্নানের মধ্য দিয়ে আমি নিজের এবং পরিবারের জন্য মঙ্গলকামনা করেছি। প্রার্থনাকালে দেশের মানুষের কল্যাণে শান্তি কামনা করেছি।’ দীপ্তি সাহা নামের অপর এক পুণ্যার্থী বলেন, ‘তিতাস নদীর পবিত্র জলে স্নানের মধ্য দিয়ে ভগবানের কাছে পাপমুক্তির জন্য প্রার্থনা করেছি। তিনি সকলের জন্য মঙ্গল করেন, সেই প্রার্থনাও করেছি।’

ঐতিহ্যবাহী এই গঙ্গাস্নানকে কেন্দ্র করে তিতাস নদীর তীর ঘেঁষে বসেছে গ্রামীণ লোকজ মেলা। মেলায় নাগরদোলা, মাটির তৈরি বাহারি খেলনা এবং হরেক রকম মুখরোচক খাবার যেমন মুড়ি-চিড়া, মাঠা, তিল্লাই ও বাতাসার পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই মেলায় অংশ নিতে পেরে যেমন খুশি ভক্তরা, তেমনি লোকসমাগম বেশি হওয়ায় বেচাকেনায় খুশি বিক্রেতারাও।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares