Main Menu

ঘরে বাইরে বৈষম্যের শিকার, তারপরেও জীবন সংগ্রামে থেমে নেই নারী

[Web-Dorado_Zoom]

1st may
মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ::  ওরা কাজ করে ঘরে-বাহিরে। ক্ষেতে খামারে, গামেন্টর্স সহ বিভিন্ন কারখানাতে, পাট ক্ষেতে নিড়ানি, ধান কাটা, মাটি কাটা, ইটবালি, মাটি মাথায় বহন করে রাস্তায় কিংবা ভবন নির্মান স্থলে ফেলা। বীজ বোনা, জমিতে সার দেওয়া সহ পুরুষের পাশাপাশি এখন যাবতীয় কাজ করছে নারী। এছাড়া সন্তান লালন পালন, পরিবারের সদস্যদের দেখা শুনা, রান্না বান্না সহ সমস্ত সংসার ও ঘরগোচালির সমস্ত কাজ করছে নারী।

এত কিছুর পরেও শ্রমজীবি এই নারীদের সমাজ ও পরিবারে নেই যথেষ্ট মর্যাদা। বহু নারী হচ্ছে নির্যাতনের স্বীকার। রক্ষণশীল এই সমাজের অনেকেই আবার বাড়ির বাইরে নারীদের কাজ করতে একে বারেই পছন্দ করে না। পান থেকে চুন খসলেই স্বামী বা পরিবারের পুরুষ কর্তা ব্যক্তিদের হাতে নির্গৃহীত হতে হয় তাদের। কর্মস্থলে নারী শ্রমিকদের নেই তেমন কোন ধরন। একটু ভুল হলেই বকা দেয় মালিক।

নারীদের দেওয়া হয় না পুরুষের সমান মুজরী। নারী বলেই তাদের টকানো হয় নানা ভাবে। দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টারও বেশী কাজ করতে হয় তাদের। নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে নারী শ্রমিকদের কষ্টের এজীবন প্রত্যক্ষ করা গেছে তীব্র রোদের মাঝে পুরুষ শ্রমিকদের সাথে পাট জমি নিড়ানি করতে দেখা গেছে বেশ কয়েক জন নারী শ্রমিককে। তারা শুধু পাট জমি নিড়ানি নয় হাওড়ে ধান কাটা, মারাই করা ব্রীজ কালভার্টে ইট শুকড়ি মাথায় বুঝাই করা সাংসারিক সকল কাজের বুঝা বহন করতে হয় তাদের। দেশে মোট নারী শ্রমিকের ৭৮ ভাগ এখন কৃষি কাজে নিয়োজিত। পারিবারিক কাজে ৮০ ভাবেই বেশী হচ্ছে নারী শ্রমিক। তবুও তাদের শ্রমের মর্যাদা মিলছে না।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares