নাসিরনগরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০
নাসিরনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে আক্তার মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় গোষ্ঠীর অন্তত ২০ জন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের গোয়ালনগর গ্রামে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। আহতদেরকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন। জিয়াউর রহমান এই ঘটনার পেছনে একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন এবং তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।
সম্প্রতি জিয়াউর রহমান শিশু মিয়াকে আটকে রেখে মারধর করেন এবং তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবারও দুই পক্ষের মধ্যে এক দফা সংঘর্ষ হয়। এরপর থেকেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে আবারও উভয় পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আক্তার মিয়া নিহত হন আহত হন। উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন।
নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে দুইজন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে একজন মারা গেছেন। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



















