Main Menu

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঁচ বছর ধরে আতঙ্কে পাঠদান

[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঁচ বছর ধরে চলছে পাঠদান। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে সেখানে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। এতে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল, দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়া এবং টিন ও কাঠের অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ভবনের পূর্ব পাশের একটি দেয়ালও ভেঙে পড়েছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে, ফলে পাঠদান ব্যাহত হয়। যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামে ১৯৩১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২২৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। একজন প্রধান শিক্ষক ও পাঁচজন সহকারী শিক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০০৫ সালে বিদ্যালয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও শিক্ষার্থীর তুলনায় তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো ভবনটি এখনও ব্যবহার করতে হচ্ছে।
শিক্ষকরা জানান, শ্রেণিকক্ষের সংকটের কারণে অনেক সময় বারান্দায় ক্লাস নিতে হয়। এতে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাদেকুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরিদর্শন করা হলেও স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
বিজয়নগর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।
উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আশিকুর রহমান ভূঞা বলেন, ভবনটি অনেক আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares