এইচএসসিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাসের হার ৪৬.৯৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৩ জন
[Web-Dorado_Zoom]
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় পাসের হার ৪৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ। এ বছর জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৩ জন শিক্ষার্থী। মোট ১১ হাজার ৫৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৭৯১ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৩ জন।
উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা। এ উপজেলায় ৩ হাজার ৯৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৭৫৬ জন। পাসের হার ৬৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৭ জন।
অন্যদিকে, সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে কসবা উপজেলা। এ উপজেলায় ২ হাজার ১৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ৬৪০ জন। পাসের হার ২৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন।
জেলা শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী, আশুগঞ্জ উপজেলায় ৫৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন। আখাউড়ায় ৬০০ জনের মধ্যে ৩৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৫৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে দুজন।
নাসিরনগরে ৫৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে আটজন। বিজয়নগরে ৬৪৯ জনের মধ্যে ২৬৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিনজন।
এ ছাড়া সরাইল উপজেলায় ৪৯৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩৭ দশমিক ৩২ শতাংশ। নবীনগরে ১ হাজার ৭৮১ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬৫৮ জন। পাসের হার ৩৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ৮২৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৮৮ জন। পাসের হার ৩৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।
সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, জেলায় সর্বোচ্চ ৯৭টি জিপিএ-৫ পেয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা। অন্যদিকে, সরাইল উপজেলায় কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।
« আশুগঞ্জে টিকটক ভিডিও নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০ (Previous News)



















