Main Menu

ডাকাতিতে জড়িত থাকার দায়ে, সরাইলে সালিশে ৪ ডাকাতকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

[Web-Dorado_Zoom]

প্রতিনিধি :  ডাকাতিতে জড়িত থাকার দায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সালিশ বৈঠকে ৪ ডাকাতকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে সালিশকারকরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়ধরকান্দি গ্রামে।
এলাকাবাসী জানান, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়ধরকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী সিরাজ মিয়ার বাড়িতে ৩০/৩৫ জনের মুখোশধারী একটি ডাকাতদল প্রবেশ করে বাড়ির লোকদেরকে বেদম মারধোর করে নগদ ৫ লাখ টাকা ও ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।
পরদিন বুধবার সকালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল  হকের নেতৃত্বে এলাকায় সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এলাকার চিহ্নিত ডাকাত আজিজ মিয়াকে-(৩৫) আটক করে সালিশকারকরা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে  আজিজ মিয়া ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তার সহযোগী  জয়ধরকান্দি গ্রামের চিহ্নিত ডাকাত ইছা মিয়া-(২২), পাহাড় মিয়া-(২৩) ও যশু মিয়া-(৩২) ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল বলে সালিশে স্বীকারোক্তি দেন। পরে চেয়ারম্যানের নির্দেশে এলাকার লোকেরা ওই ৩ ডাকাতকে আটক করে সালিশে নিয়ে আসেন। পরে তারা ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলে তাদের প্রত্যেককে দেড় লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। বিকেলে জরিমানার কিছু টাকা আদায় করে বাড়ির দলিল জমা রেখে ৪ ডাকাতকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে জয়কান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যা রাজিয়া বেগম বলেন, সালিশে ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক, ইউপি সদস্য মোঃ আহাদ মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ মর্তুজ আলী, সালিশকারক রুক্কু মিয়া, খলিল মিয়া, মস্তু মিয়াসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, সন্দেহভাজন ডাকাতরা দোষ স্বীকার করায় তাদেরকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। চেয়ারম্যানের কড়া নির্দেশ থাকায় কেউই বিষয়টি পুলিশকে অবগত করেনি।
এ ব্যাপারে পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রামবাসীর জিজ্ঞাসায় ৪জন ডাকাত ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলে তাদেরকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় । জরিমানার টাকা আগামী ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার নিশ্চয়তা দিলে তাদের ছাড়া হয়। জরিমানা করায় তারা ভালো হয়ে যাবে এ কথা চিন্তা করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়নি।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। এছাড়া এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেনি। খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares