Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ বাড়ছে, সাতজন সন্দেহভাজন হামের রোগী

[Web-Dorado_Zoom]
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুরা আক্রান্ত হওয়ার খবরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। হাসপাতালের শিশু বিভাগে শিশুদের জ্বর, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ধারণ ক্ষমতার চাইতে কয়েকগুণ বেশী রোগী ভর্তি আছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ধারণ ক্ষমতা ২৫জন। অথচ প্রতিদিনই ধারণ ক্ষমতার বেশি রোগী ভর্তি হয়।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় শিশু ওয়ার্ডে ৭০ জন শিশু রোগী ভর্তি আছে। তাদের মধ্যে ৭টি শিশুকে হামের রোগী সন্দেহ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সকল শিশুকে একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন হামের রোগীদেরকে আলাদা ওয়ার্ডে নেওয়া হবে।
সন্দেহভাজন হামের রোগীরা হচ্ছে, আশুগঞ্জ উপজেলার আলাউদ্দিন-(১১মাস), নাসিরনগর উপজেলার আজমাইন-(১০ মাস), বিজয়নগর উপজেলার আদিব-(১ বছর) ও মোস্তফা মিয়া -(৩বছর), নবীনগর উপজেলার তাসনিয়া (১১ মাস) ও সিয়াম-( ১ বছর ২ মাস), সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের তাসফিয়া-( আড়াই বছর) ও সুমন মিয়া-(৩ বছর)।
শিশু তাসফিয়া ও আজমাইনের মা বলেন, তাদের বাচ্চার খুব বেশী জ্বর ও কাশি হয়েছে। সোমবার তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার জ্বর অনেকটা নেমে গেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুরা হামে আক্রান্ত হওয়ার খবরে হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রে বাচ্চাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।টিকাদান কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা মিজানুর রহমান বলেন, গত কয়েকদিন ধরে অভিভাবকরা তাদের বাচ্চা নিয়ে আসছেন। প্রতিদিনই আমরা ২০০/২৫০ জন বাচ্চাকে বিভিন্ন টিকা দিয়ে থাকি। ২০/২৫টি বাচ্চাকে হামের টিকা দেওয়া হয়। তবে এখন হামের টিকা নেয়ার জন্য বাচ্চা বেশী আসছেন অভিভাবকরা।
এ ব্যাপারে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালি জানান, মঙ্গলবার শিশু বিভাগে ৭০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭জনকে আমরা হামের রোগী বলে সন্দেহ করছি। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সন্দেহভাজন হামের শিশুদেরকে আলাদা ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি জানান, জ্বর ও ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগীর চাপ এখন বেশী। গত রোববার ওয়ার্ডে ৮৩ জন রোগী ছিল। গত শনিবার ভর্তি ছিলো ৮৭ জন শিশু। এ ছাড়া গত শুক্রবার ৫৮জন এবং গত বৃহস্পতিবার ৪৯ জন রোগী শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ছিল।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. নোমান মিয়া জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামের টিকার কোনো সংকট নাই। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিটি কর্মীই যে কোনো সংকট মোকাবেলার জন্য সতর্ক রয়েছে।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares