Main Menu

আখাউড়া ইমিগ্রেশনে হাঁটুপানি, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

[Web-Dorado_Zoom]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় ঘণ্টা দু-একের বৃষ্টিতে হাঁটুপানি জমেছে। এতে বাংলাদেশ-ভারতের যাত্রীদের পড়তে হয় দুর্ভোগে।

রোববার (১৮ জুন) দুপুর ১২টা থেকে টানা দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতে ইমিগ্রেশন ভবনের সামনে হাঁটু পানি ভেঙে দুই দেশের যাত্রী চলাচল করতে দেখা যায়।

ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া-আগরতলা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন ভারত-বাংলাদেশের প্রায় ১২-১৩শ যাত্রীরা আসা যাওয়া করেন। বহু মানুষ চিকিৎসা এবং অন্যান্য প্রয়োজনে আগরতলা থেকে বিমান যোগে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যায়। আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের সামনের আখাউড়া-আগরতলা সড়কের অবস্থান। সড়কটি ইমিগ্রেশনের সামনের এলাকা থেকে তিন-চার ফুট উঁচু। এ জন্য অল্প বৃষ্টিতেও আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ভবনের সামনের ফাঁকা জায়গায় পানি জমে। এতে দুই দেশের যাত্রীদের পানি পাড়ি দিয়েই ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশ করতে হয়। বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টি হলেও যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

চট্টগ্রামের বাসিন্দা রেজাউল করিম বলেন, এপার এবং ওপারের ইমিগ্রেশনে অনেক তফাৎ। এখানে বসার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নাই। ওয়াশ রুম নাই। বৃষ্টি হলে দাঁড়ানোর মতো পর্যন্ত জায়গা নাই।

ঢাকার বাসিন্দা সাইমনের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগত কাজে ভারতে যাব। ইমিগ্রেশন ভবনের সামনে এসে দেখি পানি জমে আছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় পানি মাড়িয়েই অফিসে গিয়েছি। ইমিগ্রেশনের সামনের এলাকা মাটি ফেলে রাস্তার সমান উঁচু করা দরকার। এখানে যাত্রীসেবা আরও বাড়ানো উচিত। অবকাঠামো উন্নত করার দরকার।

আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেওয়ান মোর্শেদুল হক বলেন, দুপুরের বৃষ্টিতে পানি জমেছিল। আমরা দ্রুতই পানি সরানোর ব্যবস্থা করেছি। ইমিগ্রেশন ভবনের পূর্ব-দক্ষিণ দিকে একটি পুকুর আছে। ড্রেন তৈরি করে ভবনের সামনের পানি ওই পুকুরে সরানোর ব্যবস্থা করেন ইমিগ্রেশন পুলিশ সদস্যরা। আমরা যতটুকু সম্ভব যাত্রীদেরকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares