সরাইলের চুন্টা ইউনিয়ন পরিষদে ১২ দিন চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ, সেবা নিয়ে ভোগান্তির দাবি
[Web-Dorado_Zoom]
মোহাম্মদ মাসুদ : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির টানা ১২ দিন পরিষদে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, প্রশাসনিক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থাকলেও চেয়ারম্যানের কক্ষ খোলা থাকলেও তিনি সেখানে ছিলেন না। পরিষদ ভবনের বারান্দায় কয়েকজন ইউপি সদস্য এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে সেবা নিতে আসা মানুষ চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থাকেন না। তিনি নিজের সুবিধামতো অফিস করেন। গত প্রায় ১২ দিন পরিষদে না আসায় গুরুত্বপূর্ণ সেবা নিতে এসে অনেকেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন এবং নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
চুন্টা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. কাজল মিয়া বলেন, “কয়েক দিন ধরে চেয়ারম্যান সাহেব পরিষদে আসছেন না। তবে আমাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লোক মারফত চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়ে স্বাক্ষর এনে সেবা দেওয়া হচ্ছে।”
এদিকে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতির খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে পরিষদে আসেন চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির। তিনি ১২ দিন অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “১২ দিন নয়, আমি গত পাঁচ দিন পরিষদে আসতে পারিনি। আমি অসুস্থ ছিলাম এবং আদালতে একটি মামলার হাজিরা ছিল।”
তিনি আরও স্বীকার করেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আগে থেকে অবহিত করা হয়নি। চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ এবং তার ব্যাখ্যা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে।
« ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৩০ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, জরিমানা ২০ হাজার টাকা (Previous News)



















