Main Menu

জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব-২০২৬ : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চ্যাম্পিয়ন আনন্দময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসব-২০২৬ এর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আনন্দময়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। রানার্সআপ হয়েছে সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা ইসরাত জাহান সানিয়া।
বৃহস্পতিবার শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ‘বিতর্ক মানেই যুক্তি, বিজ্ঞানে মুক্তি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। যুক্তি ও পাল্টা যুক্তির মধ্য দিয়ে প্রাণবন্ত পরিবেশে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রামকানাই হাই একাডেমি এবং বিজিএফসিএল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিজানুর রহমান শিশির। উদ্বোধন করেন অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. সাবিনা ইয়াসমিন।
সমকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক আবদুন নূরের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মানবর্ধন পাল, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক উপপরিচালক বিদ্যুৎ রায় বর্মণ, জেলা উদীচীর সভাপতি লেখক ও গবেষক জহিরুল ইসলাম স্বপন এবং জেলা খেলাঘরের যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ পাল বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুহৃদ সমাবেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদস্য সচিব ফাহিম মুনতাসির।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলের সদস্যদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সৈয়দ শামসুদ্দিন আহমেদ। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. মো. ইব্রাহিম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপাচার্য ড. সৈয়দ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সৃজনশীলতা ও বিজ্ঞানচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্যায়ে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন শাহাদৎ হোসেন, আব্দুর রহিম, ফাহিম মুনতাসির, সানিউর রহমান, হুমায়ুন কবির, জুবায়েদ আহমেদ, মুনতাসির হোসেন মাহিন, তাবাস্সুম মৃধা ও মাহিদ খান। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুহৃদ আশফাক নূর বিজয়।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares