Main Menu

‘না, আমি আওয়ামী লীগ করি না। অবশ্যই আমি আওয়ামী লীগ করি না।’

বিএনপি আইসিইউতে ঢুকলে বিএনপিকে, আওয়ামী লীগ ঢুকলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাই-রুমিন ফারহানা

[Web-Dorado_Zoom]
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন না। তবে অন্যায় যার সঙ্গেই হোক, তার বিরুদ্ধে কথা বলাকে নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেন।
সাংবাদিক ও উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের সঞ্চালনায় ‘ঠিকানা’ টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি তাঁর কিছু বক্তব্য আওয়ামী লীগের পক্ষে যাচ্ছে—এমন সমালোচনা এবং তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ’ বলার প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘না, আমি আওয়ামী লীগ করি না। অবশ্যই আমি আওয়ামী লীগ করি না।’
সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘যদি ধরে নিই, সব অভিযোগই সত্য—আমি আওয়ামী লীগকে বাঁচিয়ে রেখেছি, তাদের ন্যারেটিভ বাঁচিয়ে রেখেছি। তাহলে সম্ভবত আমি একটা লাইফ সেভিং মেশিনের মতো। যখন বিএনপি আইসিইউতে ঢুকে আমি বিএনপিকে বাঁচাই, আর যখন আওয়ামী লীগ আইসিইউতে ঢুকে আমি আওয়ামী লীগকে বাঁচাই।’
আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যখন আপনার প্রতিপক্ষের হাত থেকে তলোয়ার পড়ে যায়, তখন তাকে আঘাত করা সবচেয়ে বড় কাপুরুষের কাজ। আমি আপনাকে তখনই বীর বলব, যখন আপনার প্রতিপক্ষ তার সর্বোচ্চ শক্তির অবস্থানে থাকবে এবং তখন আপনি তার মোকাবিলা করবেন। আওয়ামী লীগ যখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, তখন আজ যারা নানা মন্তব্য করছেন, তারা কোথায় ছিলেন?’
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘যার প্রতি অন্যায় হবে, আমি তার পক্ষেই কথা বলব।’
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। রুমিন বলেন, ‘ঘৃণার জবাবে ঘৃণা শুরু করলে শেষ পর্যন্ত শুধু ঘৃণাই তৈরি হবে। “An eye for an eye makes the whole world blind”—আমি সেটা বিশ্বাস করি না।’
তিনি বলেন, ‘আপনি যদি বলেন আওয়ামী লীগ খারাপ ছিল, তাহলে আপনি তাদের সরিয়েছেন কেন? কারণ তারা অন্যায় করেছে। কিন্তু আপনি যদি একই কাজ আবার করেন—মিথ্যা মামলা দেন, গায়েবি মামলা দেন, কিংবা কাউকে রাজনৈতিক কারণে হেনস্তা করেন—তাহলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আপনার পার্থক্য কোথায়?’
শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা এবং অতীতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে করা আচরণের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘যখন বিরোধী দলের নেত্রীকে হেনস্তা করা হয়েছিল, তখন যদি আমাদের কষ্ট লেগে থাকে, তাহলে আজ অন্য কারও সঙ্গে একই ধরনের আচরণ হলে তারও প্রতিবাদ করতে হবে। ব্যক্তি দেখে প্রতিবাদ করলে তা আর ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান থাকে না।’
তিনি আরও বলেন, অন্যায় বা নিপীড়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তি বা দলের পরিচয় বিবেচনা না করে নীতিগত অবস্থান নেওয়াই জরুরি।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares