Main Menu

আশুগঞ্জে শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত সেই পাঁচ দশকের পুরানো জিপ গাড়ি এখনো সচল

[Web-Dorado_Zoom]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানা প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত রয়েছে একটি পুরোনো জিপ গাড়ি। স্থানীয়দের কাছে গাড়িটি বিশেষভাবে পরিচিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত যান হিসেবে। প্রায় পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও গাড়িটির ইঞ্জিন এখনো সচল রয়েছে।
জানা যায়, দেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে সার কারখানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কারখানার কার্যক্রম ও অগ্রগতি দেখতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আশুগঞ্জ সফর করেন।
এদিকে ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি পরিচালিত হয়। এর অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার সোনারামপুরেও খাল খনন করা হয়। ওই কর্মসূচির অগ্রগতি পরিদর্শন করতে জিয়াউর রহমান যে জিপ গাড়ি ব্যবহার করেছিলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান, সেটিই বর্তমানে আশুগঞ্জ সার কারখানা প্রাঙ্গণে সংরক্ষিত রয়েছে।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটি এখন ঐতিহাসিক স্মারকে পরিণত হয়েছে। এটি শুধু একটি পুরোনো যানবাহন নয়, বরং দেশের কৃষি, শিল্প ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের স্মৃতিও বহন করছে।
গাড়িটির বর্তমান চালক আলমগীর মিয়া জানান, তার বাবা মো. জাহাঙ্গীর মিয়া দীর্ঘ ২৬ বছর গাড়িটি চালিয়েছেন। তিনি নিজে গত ২২ বছর ধরে গাড়িটির চালকের দায়িত্ব পালন করছেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ইঞ্জিন সচল আছে কি না, তা পরীক্ষা করতে মাঝে মাঝে গাড়িটি চালানো হয়।
আলমগীর মিয়া বলেন, **“গাড়িটির ইঞ্জিন এখনো সচল আছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাঝে মাঝে গাড়িটি চালিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত হওয়ায় আমরা যত্ন করে সংরক্ষণ করে আসছি।”**
আশুগঞ্জ সার কারখানা শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু কাউসার বলেন, ইতিহাসের সাক্ষী এই জরাজীর্ণ জিপ গাড়িটি এখনো কারখানা প্রাঙ্গণে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
আশুগঞ্জ সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, জিয়াউর রহমান আশুগঞ্জের সোনারামপুরে খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে এই গাড়িতে চড়ে গিয়েছিলেন। এ সময় একাধিক দেশের রাষ্ট্রদূতসহ সফরসঙ্গীরাও গাড়িটিতে ছিলেন বলে তিনি জানান।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ঐতিহাসিক এই গাড়িটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হলে নতুন প্রজন্ম দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares