Main Menu

উৎসবমুখর পরিবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিনাইরে ১১তম শিশু মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

[Web-Dorado_Zoom]

শামীম উন বাছির:: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১তম শিশু মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় সদর উপজেলার চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অর্নাস কলেজ ও চিনাইর আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে ৮টি উপজেলার ( বাঞ্চারামপুর উপজেলা ব্যতিত) ৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৮শত ৪০জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীর ৪৬৬জন, দ্বিতীয় শ্রেণীর ৩৯৭জন, তৃতীয় শ্রেণীর ৩৩৪জন, চতুর্থ শ্রেণীর ৩২২জন এবং পঞ্চম শ্রেণীর ৩২১জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
পরীক্ষা চলাকালে  চিনাইর শিশু মেধাবৃত্তি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন। এ সময় চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অর্নাস কলেজের অধ্যক্ষ মকবুল আহমেদ, উপাধ্যক্ষ এ.কে.এম শিবলী, চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যুতসাহী এম.এ.এইচ মাহবুবুল আলমসহ চিনাইর চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অর্নাস কলেজ এবং চিনাইর আঞ্জুমানআরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন উপস্থিত ছিলেন।
শিশু মেধাবৃত্তির আয়োজকরা জানান, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পরবর্তী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। অংশ গ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে শতকরা ৫ ভাগ শিক্ষার্থী টেলেন্টপুলে এবং শতকরা ১৫ ভাগ শিক্ষাথী সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পাবেন। টেলেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ২ হাজার টাকা ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্তরা ১ হাজার ৫শত টাকা পাবে।
এ ব্যাপারে চিনাইর শিশু মেধাবৃত্তি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন বলেন, এই অঞ্চলের শিশুদের মেধার বিকাশ, মানুষিক বিকাশ, বাঙ্গালীর সংস্কৃতি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে ২০০৩ সালে আমরা এই শিশু মেধা বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন শুরু করি। প্রতি বছরই আমাদের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বৃত্তির টাকার পরিমানও বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের শিক্ষা নীতির সাথে মিল রেখে আমরা পরীক্ষার আয়োজন করছি। এতে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রয়েছে। কেউ রেজাল্টে সন্তুষ্ট না হলে আমাদের কাছে আবেদন করলে খাতা পুনরায় মূল্যায়নের সুযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিশুদেরকে জ্ঞানে গরিমায় শিক্ষিত করার লক্ষে এবং তাদের মেধাকে বিকশিত করার জন্য ২০০৩ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এই শিশু মেধা বৃত্তি পরীক্ষার চালু করেন। তিনি চিনাইর শিশু মেধা বৃত্তি ট্রাস্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়  সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এম.পি বলেন, শিশু মেধা বৃত্তি পরীক্ষা এই অঞ্চলের শিক্ষার মান উন্নয়নের একটি আন্দোলন। এতে করে শিশুদের মধ্যে মেধা বিকাশ ঘটছে। সমগ্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এটি শিক্ষার আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতি বছরই পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। আগামীতে আরো বাড়বে। তিনি বলেন, আগামীতে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য মেধাবৃত্তি পরীক্ষা চালু করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা ভাবছি। আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares