মেড্ডার কালভৈরব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হিন্দু সম্প্রদায়ের গুরত্বপূর্ণ তীর্থস্থান মেড্ডার কালভৈরব মূর্তি। এটি বৃহত্তম শিবমূর্তি হিসেবেও বিখ্যাত। প্রায় দু’শ বছরর পূর্বে দুর্গাচরণ আচার্য নামক এক মৃত্তিকাশিল্পী স্বপ্নদ্রষ্ট হয়ে এটি প্রস্ত্তত করেছিলেন। কাল ভৈরব মন্দিরের স্থানটি সরাইলের বিখ্যাত জমিদার নূরমোহাম্মদ দান করেছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরপ্রতিষ্ঠার পূর্বে মেড্ডা ছিল তিতাস তীরবর্তী বাজার। দূর্গাচরণ প্রথমে তিতাস পঞ্চবঢী মূলে মূতিটি স্থাপন করেপুজার্চনার ব্যবস্থা করেছিলেন ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ২৪ ফুট উঁচু এই কাল ভৈরবের বিগ্রহ পাক হানাদার বাহিনীর বৈদ্যুতিক ডিনামাইটের আক্রমনে ভূপতিত হয়। পরবর্তিতে বিশ্ববরেণ্য দার্শনিক ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারী মহারাজের অনুপ্রেরণায় ও স্থানীয় কর্মীবৃন্দের নিরলস কঠোর প্রচেষ্টায় এবং সর্বস্তরের জনগণের সাহায্য ও সক্রিয় সহযোগীতায় চার বছর কাজের পর আবার ২৪ ফুট উঁচু উপমহাদেশের বিশালতম এই কালীশ্বর শ্রী শ্রী কাল ভৈরবের বিগ্রহ ও মন্দির পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই শিব লিঙ্গটি ১০২ বছরের পুরনো। কাল ভৈরব মন্দিরের বাম পাশে এই শিব লিঙ্গ মন্দিরটি আলাদা ভবনে অবস্থিত।
এখানে প্রতি বছর বাংলার ফাল্গুনী শুক্লা সপ্তমী তিথিতে ৪দিন ব্যাপী পূজা হোমযজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠা উতসব অনুষ্ঠান পালন করা হয়।



















