Main Menu

১৫তম তারাবিতে পঠিতব্য আয়াতের বিষয়বস্তু

[Web-Dorado_Zoom]

আজ ১৫তম তারাবিতে সূরা মোমিনুন এবং সূরা নূরের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এবং সূরা ফোরকানের প্রথম ও দ্বিতীয় রুকু, ১ থেকে ২০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত পঠিত হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ১৮তম পারা।

পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের মূলবিষয়বস্তু তুলে ধরা হল।

২৩. সূরা মোমিনুন : ১-১১৮

সূরা মোমিনুন অবতীর্ণ হয়েছে পবিত্র মক্কানগরীতে। এর আয়াত সংখ্যা ১১৮ এবং রুকু সংখ্যা ৬। সূরার পুরো অংশই পঠিত হবে আজকের তারাবিতে।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২২ নম্বর আয়াত। প্রথম ১০ আয়াতে মোমিনের গুনাবলী বলা হয়েছে। পরবর্তী আয়াতগুলোতে মানুষ এবং আকাশ জমিন সৃষ্টিতে আমাদের জন্য কী শিক্ষনীয় আছে তা বলা হয়েছে।

দ্বিতীয় এবং তৃতীয় রুকু। ২৩ থেকে ৫০ নম্বর আয়াতে হজরত নূহ এবং মূসা (আ.) এর সময়কার কথা বলা হয়েছে। তারা কীভাবে দাওয়াতি কাজ করতেন এবং দাওয়াতের প্রতিউত্তরে উম্মত কেমন সাড়া দিয়েছে তাও বলা হয়েছে বিস্তারিতভাবে।

চতুর্থ ও পঞ্চম রুকু। ৫১ থেকে ৯২ নম্বর আয়াতে মানুষকে সত্য গ্রহণের এবং আল্লাহভিরু জীবনযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। এর স্বপক্ষে বিভিন্ন যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে উদাহরণ দিয়ে। সত্য মেনে না নিলে পরকালে কী ধরণের পরিস্থিতির স্বীকার হতে হবে তাও বলা হয়েছে দরদের সঙ্গে।

ষষ্ঠ তথা শেষ রুকু, ৯৩ থেকে ১১৮ নম্বর আয়াত। এভাবে আহ্বানের পরও যারা হঠকারিতার আশ্রয় নেবে তাদের ব্যাপারে নবীর করণীয় কী তা বলেই সূরার ইতি টানা হয়েছে।

২৪. সূরা নূর : ১-৬৪

সূরা নূর নাজিল হয়েছে পবিত্র মদীনা শরিফে। ৬৪ আয়াত এবং ৯ রুকুর এ সূরা আজ পুরো অংশই পড়া হবে সালাতুত তারাবিতে।

প্রথম রুকু। ১ থেকে ১০ নম্বর আয়াতে ব্যভিচারের শাস্তি এবং লিআনের বিধান বর্ণনা করা হয়েছে। ব্যাভিচার প্রমাণীত হবে কী উপায়ে তাও বলা হয়েছে বিস্তারিত।

দ্বিতীয় রুকু। ১১ থেকে ২০ নম্বর আয়াতে ইফকের ঘটনার প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে। যারা নবীর স্ত্রী হজরত আয়েশা সিদ্দীকার বিরুদ্ধে অপবাদ দিয়েছে তাদের কড়া নিন্দা জানানো হয়েছে।

তৃতীয় রুকু। ২১ থেকে ২৬ নম্বর আয়াতে পূতপবিত্র রমণীদের বিরুদ্ধে অপবাদের জঘণ্যতা বর্ণনা করা হয়েছে।

চতুর্থ রুকু। ২৭ থেকে ৩৪ নম্বর আয়াতে অন্যের ঘরে প্রবেশের নিয়ম এবং নারী-পুরুষের জন্য পর্দার বিধান বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে বিধবা এবং অবিবাহিতদের বিয়ের ব্যবস্থা করে দেয়া পবিত্র সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট।

পঞ্চম ও ষষ্ঠ রুকু। ৩৫ থেকে ৫০ নম্বর আয়াতে দুই শ্রেণীর উপমা দেয়া হয়েছে। যারা আল্লাহর নূরে জীবন পরিচালনা করে তাদের উপমা এবং যারা আল্লাহ নূরহীন বিবর্ণ জীবন কাটায় তাদের উপমা। পরে সবাইকে বলা হচ্ছে, আল্লাহভিরু জীবনযাপন করো হে মানুষ! কারণ তোমার চোখের সামনেই আল্লাহর কত নেয়ামত ভেসে বেড়াচ্ছে তা চেয়ে দেখ। আল্লাহ এবং তার রাসুলের অনুসরণের মাধ্যমেই প্রকৃত সুখ ও মুক্তি রয়েছে।

সপ্তম রুকু। ৫১ থেকে ৫৭ নম্বর আয়াতে মোমিন ও মোনাফিকের চারিত্রিক বৈশিষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে।

অষ্টম রুকু। ৫৮ থেকে ৬১ নম্বর আয়াতে মোমিনদের উদ্দেশ্যে পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে সুস্থ-সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

নবম তথা শেষ রুকু। ৬২ থেকে ৬৪ নম্বর আয়াতে রাসুলের সঙ্গে বিশ্বাসীদের আচরণ কেমন হবে, কী করলে রাসুলের সঙ্গে আদব ক্ষুন্ন হবে না- এসব বলে সূরা নূর সমাপ্ত করা হয়েছে।

২৫. সূরা ফোরকান : ১-২০

৭৭ আয়াত এবং ৬ রুকু বিশিষ্ট সূরা ফোরকান নাজিল হয়েছে মক্কায়। আজ প্রথম ও দ্বিতীয় রুকু পর্যন্ত পঠিত হবে তারাবির নামাজে।

প্রথম রুকু। ১ থেকে ৯ নম্বর আয়াতে কোরআনের মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করে তাদের যুক্তির অসাড়তাও প্রমাণ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় রুকু। ১০ থেকে ২০ নম্বর আয়াতে যারা সত্য অস্বীকার করে বিভিন্ন ধ্যান-ধারণায় লিপ্ত রয়েছে তাদের প্রশ্নের যৌক্তিক জবাব দেয়া হয়েছে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares