Main Menu

সরাইলে মাদ্রাসায় অগ্নিকান্ড, ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি :: আহত-৩, ৫২ ছাত্রের পাঠদান অনিশ্চিত

[Web-Dorado_Zoom]

Sarail pic(fire) 05.01মোহাম্মদ মাসুদ, সরাইল :: সরাইলে মাদ্রাসায় ও এতিমখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২ লক্ষাধিক টাকার। আহত হয়েছেন তিন গ্রামবাসী। কোরআন শরীফ ও কিতাব পুড়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এখন ৫২ ছাত্রের পাঠদান।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের বিশুতারা মিফতাহুল উলুম ইসলামীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে। মাদ্রাসা সংলগ্ন খেরের (বন) ঘের থেকে এ আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, মাদ্রাসায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ছাত্রের সংখ্যা ৫২। অন্যান্য দিনের মত গত মঙ্গলবার রাতে পাঠদান ও খাবার শেষ করে ঘুমিয়ে পড়ে মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে বারটার দিকে অগ্নিকান্ডের লেলিখান শিখা দেখে চিৎকার করতে থাকে আশপাশের লোকজন। পরে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে দৌড়ে আসেন। ঘুম থেকে জেগে ঘরের ভেতর থেকে ছাত্ররা দ্রুত বেরিয়ে আসে। স্থানীয় লোকজন নিজেদের চেষ্টায় রাত ২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। কিন্তু ততক্ষণে পুড়ে ছাঁই হয়ে যায় টিনের তৈরী দু’চালা ঘরটি। এ ছাড়া ঘরের ভেতরে থাকা ৪০-৪২ খান কোরআন শরীফ, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কিতাব, পাঠ্যবই, ড্রেস, কাপড়-ছোপড়,লেপ-তোষক, খাট, হাজিরা খাতা,সরকারি কম্বল, সৌরবিদ্যুৎ, হিসাবের রেকর্ড রেজিষ্ট্রার সহ প্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র পুড়ে যায়। এ ঘটনায় আহত হন গ্রামের বাসিন্ধা আতিকুল (৪০), মুক্তার মিয়া (৪২) ও মোতাহার মিয়া (৩৫)।

সবকিছু হারিয়ে এখন মাদ্রাসার ৫২ ছাত্রের পাঠদান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হাসান শাহী বলেন, ধারনা করা হচ্ছে মাদ্রাসা সংলগ্ন বনের লাছ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। থানায় ফোন করেছিলাম রাতে তো কেউ আসেই নাই। এখনোও পুলিশ বা অন্য কেউ আমাদের কোন খবর নেয়নি। প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে গিয়েছে। কোরআন শরীফ ও কিতাব পুড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের চরম ক্ষতি হয়েছে। মাদ্রাসাটি ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান ঠিকিয়ে রাখতে এখন সরকার বা বিত্তশালীদের সহায়তা প্রয়োজন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আবুল কালাম মিয়াজী বলেন, জেলার সভায় চলে এসেছি। অগ্নিকান্ডের কোন ম্যাজেজ পায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা নাহিদা হাবিবা বলেন, আমি এখনই (গতকাল দুপুর ১টায়) এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares