Main Menu

ধর্মিয় উস্কানিমূলক সংবাদ প্রচার করে  নবীনগর পৌরসভার জনপ্রিয় মেয়র কে বিতর্কিত করার চেষ্টা  

নবীনগর পৌরসভার মেয়র এড.শিব শংকর দাসের সাংবাদিক সম্মেলন

[Web-Dorado_Zoom]
মিঠু সূত্রধর পলাশ, নবীনগর প্রতিনিধি:: অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল সোমবার (৯/৮) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌর এলাকার ভোলাচং মেয়রের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কারোর প্রতি কোন অভিযোগ না এনে ভোলাচং চৌধুরী পাড়া মোহাম্মদীয়া আরাবীয়া জামে মসজিদের জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করার ঘোষণা দিলেন মেয়র এড. শিব শংকর দাস। তিনি আরো বলেন, মসজিদের জায়গা বালু দিয়ে ভরাটে বাঁধা দেয়া দুরে থাক এই পর্যন্ত মসজিদের পক্ষ হতে কেউ আমাকে বিষয়টি অবগতও করেনি।
 আমি এবিষয়ে কিছুই জানি না অথচ আমাকে দোষী করা হয়েছে। কিছু লোক ভুল তথ্য দিয়ে সোস্যাল মিডিয়াতে প্রচার করে আমাকে বিব্রত করছেন। কিছুদিন পূর্বেও এই মসজিদে সম্মানীত মুসুল্লিদের যাতায়াতের জন্য মাটি ফেলে নতুন করে রাস্তা করা হয়েছে যা অল্প সময়ের মধ্যে পাকাকরন করা হবে। ভোলাচং এলাকায় এই পর্যন্ত ৫টি মসজিদে পৌরসভার  উন্নয়ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহে উন্নয়ন করা হবে।
ভোলাচং বাজার কমিটির আহ্বায়ক কাউন্সিলর জসীম উদ্দিন ও সেক্রেটারি কাউন্সিলর আল মামুন এই বিষয়ে মেয়র মহোদয় দোষী থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, ড্রেজারের মালিক কাদির মিয়াসহ আরো কয়েকজন আমাদের কাছ থেকে দুই তিনদিনের জন্য অনুমতি নিয়ে বাজারের ব্যবসায়ীদের ব্যঘাত ও রাস্তার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রাস্তার উপর পাইপ দিয়ে এলাকায় বালি ভরাটের কাজ করে। প্রায় ১৫ দিন যাবত পাইপ গুলো তুলে নিয়ে যাবে বলে আমাদের সাথে তারা টালবাহানা করতে থাকে। মসজিদের জায়গায় বালু ভরাটের কথাও কেউ আমাদেরকে জানায়নি।গত তিনদিন আগে এসিল্যান্ড মহোদয় এসে পাইপগুলো বাজার থেকে তুলে নেওয়ার জন্য বল্লেও তারা এখন পর্যন্ত উঠায়নি। অথচ তারা উল্টো একটি রিউমার ছড়িয়েছেন যাহা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধি সহ সকল কাউন্সিলর, উপজেলা আওয়ামী লীগের  সাংগঠনিক সম্পাদক মো.সফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা পারভেজ হোসেন ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares