Main Menu

জানুয়ারি থেকেই কলকাতা-খুলনা ট্রেন

[Web-Dorado_Zoom]

railডেস্ক ২৪:: ঐতিহাসিক কারণেই এক সময় ছিন্নমূল হয়ে উদ্বাস্তু মানুষের স্রোত আছড়ে পড়েছিল এ দেশে। বাঁচার তাগিদে তাঁরা গড়ে তুলেছিলেন একাধিক কলোনি। তবুও ফেলে আসা মাঠ-ঘাট-নদী-ভিটের টান অন্তহীন। সেই টানেই প্রতিদিন এ রাজ্য থেকে বাংলাদেশে যান বহু মানুষ। এছাড়াও নানা প্রয়োজনে যাতায়াত তো রয়েইছে। এই সীমান্ত পারাপারের জন্য আন্তর্জাতিক বাস যেমন রয়েছে, তেমনই চলছে মৈত্রী এক্সপ্রেস। দুটিই কলকাতা থেকে ছুটছে ঢাকার পথে। এবার সেই পথ আরও সুগম হতে চলেছে। আগামী বছরের প্রথম দিকেই স্মৃতির সরণি বেয়ে কলকাতা থেকে খুলনা পর্যন্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করবে। জানুয়ারি মাসেই প্রারম্ভিক সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। রেল মন্ত্রকের বিশ্বস্ত সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। চলছে চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি। শুধু তাই নয়, সূত্রের খবর, খুলনাগামী ট্রেন চলাচলের সূচনার আগেই মৈত্রী এক্সপ্রেসের ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানো হবে। রেল বোর্ড ইতিমধ্যেই তা জানিয়ে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট জোনকে।
বর্তমানে নিছক বেড়ানোর জন্য তো বটেই, তাছাড়াও বাপ-ঠাকুরদার জন্মভিটে ছুঁয়ে আসার টানেও বহু মানুষ বাংলাদেশে যান। ভ্রমণ, ব্যাবসা, চিকিৎসাসহ নানা প্রয়োজনে উলটো স্রোতও বইতে থাকে নিত্যদিন। গোটা বিষয়টি পর্যালোচনা করেই দু’দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুগম করার সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি ও ঢাকা। সেই সিদ্ধান্ত মতোই কলকাতা থেকে খুলনা পর্যন্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা হয়। রেল মন্ত্রক সূত্রের খবর, আগামী জানুয়ারি মাস থেকেই যাতে পেট্রাপোল-বেনাপোল হয়ে খুলনা পর্যন্ত ট্রেন চালানো যায়, তার জন্য দু’দেশই তৎপরতা চালাচ্ছে। এই রুটে যাত্রীবাহী ট্রেনের চাহিদা রয়েছে। স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত এই রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন চলত। বর্তমানে পণ্যবাহী ট্রেন চলে। কাজেই, ভারতের দিক থেকে পরিকাঠামো মোটের উপর তৈরি রয়েছে। তবে, বিষয়টি শুধু রেলের একার নয়। যেহেতু আন্তর্জাতিক রুটে ট্রেন চলবে, তাই এর সঙ্গে শুল্ক ও অভিবাসনের মতো বিষয়ও সরাসরি যুক্ত। তার জন্যও পরিকাঠামো যথাযথ থাকতে হবে। সেই কাজই চলছে। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আর এন মহাপাত্র বলেন, কলকাতা-খুলনা রুটে ট্রেন চালানো নিয়ে দু’দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে। সেখান থেকেই ট্রেনের সূচনার দিনক্ষণ ঠিক হবে।
বর্তমানে কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে যাত্রীবাহী মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করে। ট্রেনটি অবশ্য যাতায়াত করে নদীয়া জেলার সীমান্ত গেদে-দর্শনা হয়ে। পূর্ব রেলের এক কর্তার কথায়, এই ট্রেন সাফল্যের সঙ্গেই চালানো হচ্ছে। ট্রেনটির চাহিদা দেখে বোঝা যায় যাত্রীদের উৎসাহ। তাই, এই ট্রেনটির ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে দু’দেশের সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আলাপ-আলোচনা চলেছে। তারই ফলশ্রুতি হিসাবে এবার বাড়তে চলেছে ট্রিপের সংখ্যা। বর্তমানে কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস সপ্তাহে তিনদিন ছাড়ে কলকাতা স্টেশন থেকে। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ বিভাগ সূত্রের খবর, আগামী ১১ নভেম্বর থেকে সপ্তাহে তিনদিনের পরিবর্তে চলবে চারদিন করে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares