Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা

[Web-Dorado_Zoom]

kanaiব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা। কেন্দ্র পরিচালনায় আওয়ামী লীগ করেছে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি। আর ইসলামী ঐক্যজোট পাহারায় ৩০ থেকে ৫০ জন করে মাদরাসা ছাত্র রাখবে প্রত্যেক কেন্দ্রে। এজেন্টও দেবে তারা প্রত্যেক কেন্দ্রে। এদিকে গতকাল বিকালে এক সংবাদ সম্মেলন করে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইসলামী ঐক্যজোট। পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন দল ও প্রশাসন কোনো রকম ষড়যন্ত্র করলে পরে এর দায়দায়িত্ব তাদের বহন করতে হবে ঘোষণা দেন তারা। অন্যদিকে বিভিন্ন কেন্দ্র দখলের আশঙ্কা এবং প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের ভোট দেয়ার ঘোষণার প্রেক্ষিতে গতকাল সকালে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা বিএনপি। বিএনপি প্রার্থী হাফিজুর রহমান মোল্লা কচির দক্ষিণ মোড়াইলস্থ বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ সরকারদলীয় প্রার্থীকে জয়ী করার মিশনে মাঠে কাজ করছে। জনগণ তাদের ভোট দিতে পারবে না। ভোট ডাকাতি হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয় প্রকাশ্যে ভোট দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরে বিএনপি নেতারা বলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ এখন আওয়ামী পুলিশ পার্টি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছে। তারা নির্বিঘ্নে ও গোপনে ভোট দেয়ার দাবি করেন প্রশাসনের কাছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন, বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট গোলাম সারোয়ার খোকন, অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মঞ্জু, সিরাজুল ইসলাম, জসীমউদ্দিন রিপন, মোমিনুল হক, অ্যাডভোকেট মাসুদুল ইসলাম প্রমুখ।

এদিকে বিকালে ইসলামী ঐক্যজোটের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়- নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র যেমন জোর করে কেন্দ্র দখল, ভোট কাটা এমনকি রাত্রিতে আগাম ব্যালট বাকস ভরে রাখার অপচেষ্টা করা হলে তা বরদাশত করা হবে না। তারা বলেন বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারসহ অন্যান্য পদে নিয়োজিতরা স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারী। তাদের অভিযোগ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর স্ত্রী। তাই চাকরির ভয়ে নির্বাচনে দায়িত্ব প্রাপ্ত এই শিক্ষক-কর্মচারীরা যেকোন অপকর্মে লিপ্ত হতে পারে। সেজন্যে আমরা তাদের সাবধান করে দিতে চাই তারা যেন তাদের অর্পিত দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ঐক্যজোট চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী, ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত আমিনী, জেলার শীর্ষস্থানীয় আলেম মাওলানা মনিরুজ্জামান সিরাজী, প্রার্থী মাওলানা মো. ইউসুফ ভূঁইয়া ও মুফতি এনামুল হাসান। উল্লেখ্য, আগামী ২০শে মার্চ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র:: মানব জমিন






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

This site is protected by wp-copyrightpro.com

Shares