Main Menu

প্রধান মন্ত্রীর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশ উপেক্ষা করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাহী অফিসার

+100%-

“দেশটা উপজেলা,জেলা থেকে উপর পর্যন্ত দুনীতিতে একেবারে ভরে গেছে,সবাই এ একই কথা বলছে একই ভাবে একেকজন সুনীতিবানের মতো। তা হলে দেশের মধ্যে ভালো মানুষটা কে——–? কসবা উপজেলায় বিগত দিনে বহু অঘটনের জম্ম দিয়েছে  ৪/৫টি কর্তা ও রাজনীতি ব্যক্তি। খোদ প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক শাখা-২ এর অফিস আদেশ উপক্ষো করেছেন  কসবা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রুহুল আমীন ভুঁইয়া বকুল ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তা আহাম্মদ কবীর । তাদের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটিতে সদস্য করার অভিযোগ উঠেছে।
রুহুল আমীন ভুইয়া বকুলের  আমলে  রাজনীতিতে আমাদের নৈতিক অবস্থা ছিলো আমার (বকুল গংদের) সঙ্গে থাকলে তখন সঙ্গী, বিরুদ্ধে গেলেই জঙ্গি।’আমার বিরুদ্ধে থাকলে কসাই,আমার পক্ষে থাকলে বেয়াই।’নিজের রাজনীতিতে‘ নিজের জন্য আল-ফায়দা আর অন্যের জন্য আল-কায়দা’। নিজের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ পেলে সাংবাদিক আর পক্ষে না গেলে সাং-তিক। এই দুই কর্তাব্যক্তিসহ প্রমুখরা দলীয়  প্রভাব খাটিয়ে  লুটে পাটে নিয়েছে  কসবাবাসীর কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধিকার বলে অভিযোগ উঠেছে। কসবা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনের সামনে তারা সরকারি জাগা জমি,দোকানপাট স্ব নামে বেনামে অধিগ্রহণ করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারা কসবার শান্তির ঘুম কেঁড়ে নিয়ে আতস্কের ঘুম উপহার দিয়েছিল। আর  তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই সরকারি অফিস আদেশ অমান্য করে গেচাং করে  আইন শৃঙ্খলা কমিটিল সদস্য থেকে সভাপতি,কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব সদস্য নাম,আসন পরিবর্তন করতে পারে। যে আইন শৃঙ্খলা কমিটি ন্যায় ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবে আর সেখানে তারাই অন্যায় করে বসে। বহু অগঠনের মধ্যে আজকে তেমনি  একটি ঘটনা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনটি বর্তমান সরকারের আইন মন্ত্রীর সুদৃষ্টি দেওয়ার  স্বার্থে প্রকাশ করা হলো।  
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজনৈতিক শাখা-২। নং স্বম(রাজ-২) আশৃক-জেলা/২-৩/২০০৯/৩১০ “অফিস আদেশ” গত ৩ মার্চ ২০০৯ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্বম(রাজ-২)/আশৃক-জেলা)২-৩/২০০৯/২১৩ নম্বর পত্রের মাধ্যমে গঠিত কমিটি বাতিলপূর্বক নিম্নরুপভাবে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটি পূর্ণগঠন করা  হইলঃ উপরোক্ত অফিস আদেশ কপিটি কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহাম্মদ কবীর স্ব স্বাক্ষরে গত ০২/০৪/২০০৯ইং গ্রহণ করেন। উক্ত কমিটিতে মাননীয় সংসদ সদস্য -মুখ্য উপদেষ্টা,উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদ্বয়-উপদেষ্টা,(১)উপজেলা নির্বাহী অফিসার- সভাপতি,ক্রমিক নং ২ থেকে ১৬ পর্যন্ত সদস্য। এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উপ-সচিব আবু সৈয়দ মোহাম্মদ হাশিম এর স্ব স্বাক্ষরিত অফিস  আদেশ কপিতে ক্রমিক নং ১৫ তে সুষ্পষ্ট ভাবে সভাপতি,উপজেলা প্রেসক্লাবকে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ভুক্ত করতে হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই ধারা মোতাবেক  আদেশ কপি দিয়ে আবেদন করে অবশেষে খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী সভাপতি,কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব কসবা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ভুক্ত হন। গত ২০/০৭/২০০৯ইং হতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় যোগদান সহ সভায় উপস্থিতির স্বাক্ষর করে আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখেন। এমতাবস্থায় কয়েকটি সভায় উপস্থিত হওয়ার পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রুহুল আমিন ভুইয়া বকুল,সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহাম্মদ কবীর এক জোট হয়ে
স্ব রাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদেশকে বৃদ্ধাআঙ্গল দেখিয়ে সভাপতি, কসবা উপজেলা প্রেসক্লাবকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে কমিটির সদস্য পদে অন্যায়,অনৈতিক, ভাবে তাদের সুবিধাভোগী নেপাল চন্দ্র সাহা নামে একজন সাংবাদিক কে সদস্য ভুক্ত করার  যাহা  সরকারের স্ব রাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ কপিতে উল্লেখ্য নেই। এর পর কার নামটি সদস্য ভুক্ত হলো,কি ভাবে হলো, সরকারি অফিস আদেশ মোতাবেক করা হয়েছে কি না। তা হলে কি প্রভাবশালী মহল এই সব অন্যায় অপরাধের কর্মকান্ড করতে প্রশাসনকে বাধ্য করছে নাকি প্রশাসন তাদের স্বার্থে প্রভাবশালীদেরকে বাধ্য করছে।না হলে সভাপতি কসবা উপজেলা প্রেসক্লাব এই বিষয়ে জানতে চেয়ে আবেদন করলেও তিনিরা জানান সাবেক সংসদ সদস্য এড.শাহ আলমের নিদেশে করেছেন। কিন্ত সরকারের অফিস আদেশটি কি ভাবে  উপেক্ষা করেছেন কসবা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রুহুল আমীন ভুঁইয়া বকুল ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তা আহাম্মদ কবীর ।এই নিয়ে শত প্রশ্নে জম্ম দিয়েছে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য বৃন্দসহ সুধী সমাজের মাঝে।  তা বর্তমান আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের“আইন” মন্ত্রী এড.আনিসুল হক এমপি’র কাছে কসবা শিক্ষিত,উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ,সুধী সমাজের আবেদন খোদ প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সকারের  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ  উপেক্ষা করে কসবা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমীন ভুইয়া বকুল ও  নির্বাহী অফিসার আহাম্মদ কবীর প্রভাব খাটিয়ে একজন সুবিধাভোগিকে সদস্য ভুক্ত করেন।  যদি ক্ষমতা বেশী না হয়,কি ভাবে “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ খোদ প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সকারের  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় “অফিস আদেশ,কে উপেক্ষা করে সভাপতি,কসবা উপজেলা প্রেসক্লাবকে  উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য পদ থেকে বাদ দিয়েছেন,তা দেশের মাননীয় আইনমন্ত্রীর কাছে   জানতে চাচ্ছেন কসবাবাসী ।