Main Menu

কসবায় ছাত্রলীগের কমিটিতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদককে সদস্য করায় আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভ

+100%-


খ.ম.হরুনুর রশীদ ঢালী : ছাত্রলীগের কসবা উপজেলা আহবায়ক কমিটিতে ছাত্রদলের ইউনিয়ন কমিটির দুই বারের সাধারণ সম্পাদককে সদস্য করায় আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভসহ নিন্দার ঝড় উঠেছে।বিষয়টি যাচাই ও বাচাই করার জন্য কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রলীগের কাছে দাবী তুলেছেন আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির ১ নং সদস্য আবির মোহাম্মদ সোহাগ কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের দুইবারের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সম্প্রতি তাকে আহবায়ক কমিটির এ পদ দেয়া হয়েছে। এর ফলে ছাত্রলীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার আগে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রলীগের কাছে দাবী তুলেছেন তারা।

কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক পলাশ জানান;ছাত্রলীগের মিছিলে এই সেই ছাত্র দলের নেতা আবির মোহাম্মদ সোহাগ আমার উপর কাঁচের বোতল দিয়ে ঢিল মারে। যার ক্ষত চিহ্ন এখনও আমার হাতে রয়েছে। ছাত্রলীগের কমিটিতে প্রবেশ করছে জেনে অবাক হলাম,আমি নিন্দাসহ ক্ষোভ প্রকাশ করছি।

কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল বলেন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবির মোহাম্মদ সোহাগ কসবা পশ্চিম ইউনিয়রে দুইবারের সাধারণ সম্পাদক ও তার বাবা মো:মিজান মিয়া একই ইউনিয়নের বিএনপির সদস্য । বাপ বেটা মিলে কসবায় আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনসহ লাঠি মিছিল করেছেন। ছাত্রলীগের কমিটিতে তার প্রবেশটি অতি দু:খ জনক। আমি তীব্র প্রতিবাদসহ নিন্দাজ্ঞাপন করছি।

কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো:মনির হোসেন জানান, এটা মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাই। কসবা উপজেলায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকল মানুষের মাঝে আলোচনা ,সমালোচনা,প্রতিবাদসহ নিন্দার ঝড় উঠেছে। আওয়ামী লীগের মত একটা বড় দল। আর তারই ঐতিহ্যবাহি সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বিএনপি ও বিএনপির ছাত্রদলের পদ পদবি থেকে এনে ছাত্রলীগের কমিটিতে প্রবেশ করিয়ে সংগঠনকে ক্ষত করার পায়তারা করার বিষয়টি এখন জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল জানান, এই অভিযোগের বিষয়টি যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। তবে আমি দু:খ প্রকাশ করছি।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares