Main Menu

অবরোধে আখাউড়া বন্দরের রপ্তানী :: প্রতিদিনকার কর্মচাঞ্চল্যতা নেই

+100%-

শামীম উন বাছির ::আখাউড়া স্থলবন্দর এখন স্থবির। প্রতিদিনকার কর্মচাঞ্চল্যতা নেই। আগের মত কোলাহল নেই। শ্রমিকরা অলস সময় পাড় করছে। ২০ দলের টানা অবরোধের প্রভাবে নুয়ে পড়েছে এ বন্দরের রপ্তানী আয়। শুধু এ স্থলবন্দর থেকে লাখ লাখ ডলার রপ্তানী আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। রপ্তানীমুখী আখাউড়া স্থলবন্দরে স্থবির হয়ে পড়েছে। হরতাল আর টানা অবরোধের প্রচন্ড প্রভাব পড়েছে বন্দরে। দেশের পূর্বাঞ্চলের রপ্তানীমুখী এ বন্দরটি কার্যত অচল। এ বন্দর থেকে ভারতের ত্রিপুরায় পন্য রপ্তানী করে ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে ২’শ ২৬ কোটি টাকার রপ্তানী আয় হয়েছে। সে রপ্তানীতে এখন ভাটা পড়েছে। কমে গেছে পন্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা। বন্দর সংশ্লিষ্টরা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা হরতাল অবরোধকে দায়ী করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১০ সালে ১৩ আগষ্ট পূর্নাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা করা হয়। ভারতের ত্রিপুরায় বাংলাদেশী পন্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত ৩০টি পন্য রপ্তানী হয়। কিন্তু লাগাতার অবরোধে এখন পন্য রপ্তানী বন্ধের পথে। ব্যবসায়ীরা পন্যের চালান পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। এতে রপ্তানী আয় কমেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। গত অক্টোবরে ২৬ লাখ ১৯ হাজার টাকা, নবেম্বরে ৩৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ডিসেম্বরে ৪১ কেটি ১৭ লাখ টাকা রপ্তানী আয় হয়। চলতি বছরের ১৩ দিনে আয় হয়েছে ৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। স্থানীয় সুত্র জানায়, মূলত ডিসেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে বিপুল পরিমান পন্য রপ্তনী হয়। কিন্তু সরকার বিরোধী আন্দোলনে এখন রাজস্ব কমছে। দ্রুত রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ব্যর্থ হলে অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন কর্মকর্তারা।


ট্রাক চালক জাফর বলেন, আগে আমাদের এখানে প্রতিদিন ২ থেকে আড়াইশ ট্রাক আসত। এখন প্রতিদিন ৪০/৫০টি ট্রাক আসছে। সিএন্ডএফ এজেন্ট আব্বাস উদ্দিন বলেন, আমাদের বন্দর রপ্তানী মুখী। তাই ভারত থেকে লক্ষ লক্ষ ডলার আয় হয়। অবরোধের কারনে রাষ্ট্রীয় ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমাদের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়েছে। আখাউড়া স্থল বন্দরের সহকারী কমিশনার ল্যান্ড কাষ্টমস নীতিশ বিশ্বাস বলেন, বন্দরের রপ্তানী উর্ধ্বমুখী। সামনে ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাবে। সার্বিক পরিস্থিতিতে দীর্ঘ মেয়াদী হরতাল অবরোধ আমাদের রপ্তানী বানিজ্যে প্রভাব ফেলেছে। আগামীতে এর একটা বড় প্রভাব রপ্তানী আয়ের উপর পড়বে।






Shares