Main Menu

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পূনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু কৃষিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন —-আলহাজ্ব ওমর ফারুক

+100%-


১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের ৫ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ১৭দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর পঞ্চমদিন গতকাল ৯ আগস্ট বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষকলীগের আয়োজনে শিল্পকলা এডাডেমী মিলনায়তনে বিকাল ৪টায় “খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর ২য় বিপ্লব ও শেখ হাসিনার অবদান” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় ভূমি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম ভূইয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য ফরিদুল আলম, জেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শাহ আলম।
জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ছাদেকুর রহমান শরিফের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ উদ্দিন দুলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সৈয়দা নাখলু আক্তার, নাছিমা চৌধুরী, নজরুল ইসলাম বকুল, এডঃ এনামুল হক চৌধুরী, নাদিম সওদাগর, আবু আহাম্মদ মৃধা, সফিকুর রহমান, নূর মোঃ খলিফা, তোফাজ্জল হোসেন জীবন প্রমুখ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পূনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু কৃষিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কৃষি উন্নয়নের যে জয়যাত্রা শুরু করেছিলেন বর্তমান সরকার তা অনুসরণ করে সে অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখেছে। বর্তমান সরকার কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাকে আধুনিক এবং সুসংগঠিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। ফলে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। সরকারের যুগোপযোগী পদক্ষেপের ফলে শুধু কৃষিই নয় সর্বক্ষেত্রেই উন্নয়ন আজ সর্বজনবিদিত।
তিনি আরো বলেন, কৃষি উন্নয়ন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কৃষির উন্নতির জন্য বহুমুখী বাস্তব কর্মসূচি গ্রহণ, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, কৃষি বিষয়ক গবেষণা কাজে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ফলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ক্ষুধা, অপুষ্টি, দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares