Main Menu

অদ্বৈত মল্লবর্মণকে নিয়ে সরকারীভাবে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা দরকার–প্রফেসর ফাহিমা খাতুন

+100%-

15841440_1409874722379556_1784829197_n

দেশ বরেণ্য শিক্ষাবীদ ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুন বলেছেন,অদ্বৈত মল্লবর্মণ তিতাস পাড়ের গর্ব। তাকে নিয়ে ব্যাপক চর্চা করার মধ্য দিয়ে আমরা সমৃদ্ধ হতে পারবো,আমাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ করতে পারবো। তিনি আরো বলেন,অদ্বৈত মল্লবর্মণের লেখার মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনচিত্র সার্থকভাবে ফুটে উঠেছে। অদ্বৈত মল্লবর্মণকে নিয়ে সরকারীভাবে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করার দাবী জানিয়ে তিনি বলেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ আমাদের জন্য যা রেখে গেছেন তাঁর চর্চা না করলে আমরা অকৃতজ্ঞ থেকে যাবো।

তিনি আরো বলেন,তিতাস আবৃত্তি সংগঠন হরিশংকর জলদাসের মতো একজন প্রকৃত সৃজনশীল মানুষকে সম্মানিত করে যথার্থ কাজটিই করেছে। হরিশংকর জলদাসও অদ্বৈত মল্লবর্মণের মতো জেলে পাড়ার সন্তান হিসাবে জেলে জীবনকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন। জেলে জীবনের সংগ্রামশীলতাকে উপজীব্য করে তিনি সার্থক উপন্যাস রচনা করেছেন।

তিনি রোববার সন্ধ্যায় অদ্বৈতমেলার দ্বিতীয় দিনে অদ্বৈত সম্মাননা প্রদান পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। এসময় অদ্বৈত সম্মাননা গ্রহণ করেন বাংলা ভাষার বিশিষ্ট কথাশিল্পী হরিশংকর জলদাস। তাকে এসময় ফুলেল শুভেচ্ছা,সম্মাননা ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয়। সম্মাননার জবাবে হরিশংকর জলদাস বলেন,জীবনে অনেক সম্মাননা,পুরষ্কার পেয়েছি কিন্তু তিতাস পাড়ের অদ্বৈত মল্লবর্মণের নামের এই সম্মাননা আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পাওনা। এ সম্মাননা আমাকে স্তব্ধ করেছে,সাময়িক সময়ের জন্য রক্ত সঞ্চালন বন্ধ করে দিয়েছে কিন্তু নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি আজীবন তিতাস পাড়ের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। বরেণ্য লেখক ও অদ্বৈত সম্মাননাপ্রাপ্ত শান্তনু সায়সারের সভাপতিত্বে ও আবৃত্তিকর্মী শফিকুর রহমানের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এএসএম শফিকুল্লাহ,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস,ত্রিপুরার বিশিষ্ট কথাশিল্পী শ্যামল বৈদ্য,জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এড.মাহবুবুল আলম খোকন। এসময় স্বাগত ভাষণ দেন সংগঠনের সহকারী পরিচালক বাছির দুলাল। এরপর মঞ্চে কবিকন্ঠে কবিতা পাঠ করেন ত্রিপুরার বিশিষ্ট কবি বিমলেন্দ্র চক্রবর্তী,বাংলাদেশের কবি হেলাল উদ্দিন হৃদয়,রাসেল রায়হান,শামশাম তাজিল। একক আবৃত্তি করেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য রফিকুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ হাসান,সিলেটের আবৃত্তিশিল্পি সৈয়দ সাইমুম আনজুম ইভান। দ্বিতীয় দিনের সবশেষে বাউল গান পরিবেশন করা হয়। এ দুটি পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান। তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সমন্বয়ক রোকেয়া দস্তগীরের সভাপতিত্বে ও আবৃত্তিকর্মী অমিতাভ চক্রবর্তী রাহুলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুণ অর রশিদ,জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মুজিবুর রহমান বাবুল।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares