Main Menu

নাসিরনগরে তাণ্ডবাকারীদের ধরতে গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা চাইল পুলিশ[ভিডিও]

+100%-

police-sp

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মন্দির ও হিন্দুবাড়িতে তাণ্ডবাকারীদের ধরতে গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা চাইল পুলিশ। নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এ আহ্বান জানান।

তিনি গণমাধ্যমকর্মীদেরকে ছবি ও ফুটেজ দিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে সহায়তা দিতে বলেন। সেইসঙ্গে স্পটে থাকা সংবাদকর্মীরা কাউকে চিনে থাকলে সে তথ্যও দেওয়ার অনুরোধ করেন।

গত শুক্রবার নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের জগন্নাথ দাসের ছেলে রসরাজ দাসের (৩০) ফেইসবুক পাতায় ‘ইসলামের অবমাননাকর’ একটি পোস্ট পাওয়ার কথা জানিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।

ওইদিনই রসরাজের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়। পরদিন পুলিশ তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠায়।

রসরাজের শাস্তি দাবিতে ‘হেফাজতে ইসলাম’ ও ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের’ ব‌্যানারে রোববার বিক্ষোভ-সমাবেশের পরপরই নাসিরনগরে এবং পাশের এলাকা হবিগঞ্জের মাধবপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলে পড়ে একদল যুবক।

কয়েকশ মানুষ দফায় দফায় হামলা চালিয়ে নাসিরনগরের অন্তত ১৫টি মন্দিরে ভাংচুর করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের দেড়শ বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

হামলার ঘটনা তদন্তে সোমবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস‌্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।

পুলিশ সুপার বলেন, নাসিরনগর থানার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ থেকে হামলাকারীদের শনাক্তের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে শনাক্তও করা হয়েছে।

“আপনাদের (সাংবাদিক) কাছে যদি সেদিনের হামলার কোনো ভিডিও ফুটেজ বা তথ্য থাকে তাহলে তা দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন। এতে করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা সহজ হবে।”

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) রাজন কুমার দাসসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাছাড়া প্রাথমিক তদন্তে হামলার ঘটনায় নাসিরনগর থানার ওসির অবহেলার প্রমাণ মিলেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওসি আবদুল কাদেরকে প্রত্যাহারের বিষয়টি সময়ের ব্যাপার মাত্র।






Shares