Main Menu

ইউপি হান্নান মেম্বারের ৮ প্রকল্পের সাড়ে ৭লাখ টাকা আত্বসাৎ। বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন

+100%-

খ.ম.হারুনুর রশীদ ঢালী,কসবা প্রতিবেদক ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউপি ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল হান্নান ৮টি প্রকল্পের সরকারী বরাদ্ধ ৭লাখ ৬৮হাজার টাকার অনিয়মসহ আত্বসাৎ করার অভিযোগ  প্রমাণ পেলেও আইনগত বিচার না হওয়ার  অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়,আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউপির রুটি গ্রামের পিতা মৃত আঃখালেকের পুত্র মো.বাদল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক,আখাউড়া উপজেলা নির্বার্হী অফিসার,দুনীতি দমন কমিশনসহ সর্ব শেষ গত ১৭-১১-২০১৩ইং আখাউড়া ধরখার ইউপি হান্নান মেম্ববার ৮টি প্রকল্পের ৭লাখ ৬৮হাজার টাকা আত্বসাৎ বিষয়ে  বিচারের জন্য  প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করে। আবেদনকারী বাদল বুধবার বিকালে বলেন ‘দুঃখ একটাই,জেলা,উপজেলা পর্যায়ে প্রমাণ পত্র দিয়ে নিজে বাদি হয়ে অভিযোগ করার পর তদন্তে সততা পেলেও দীর্ঘ ২০১২ সাল থেকে এই পর্যন্ত বরাদ্ধ আত্বসাৎকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
গত ২১-০৯-২০১২ খ্রিঃ স্বারক নংঃউঃনিঃঅঃ/আখা/০৪-০১/১২-৭০০ আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় পত্রে সূত্রে প্রাপ্ত ৮টি প্রকল্প গুলো মদন মিয়ার বাড়ির পাশ্ব্যে পানি নিস্কাশনের ড্রেন এডিপি ২০১১-১২ অর্থ বছর,রুটি গ্রামের রাস্তা ও ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন প্রকল্প থোক বরাদ্ধ২০১০-১১ অর্থ বছর,রুটি গ্রামের জাহের ও জুরু মিয়ার বাড়ি সংলগ্ন খালের উপর আর,সি,সি পিলার স্থাপন ও মাটি দ্বারা ভরাট এডিপি ২০০৮-০৯ অর্থবছর,রুটি গ্রামের নোয়াব মিয়ার বাড়ির পাশ্বে বক্্র কালভার্ট নিমার্ণ প্রকল্প এলজি এসপি ২০১০-১১ অর্থ বছর,রুটি গ্রামের আবুল খায়েরর বাড়িহতে ডোবা পর্যন্ত রাস্তা নিমার্ণ প্রকল্প ১ভাগ স্থাবর/অস্থাবর  খাত ২০১০-১১ অর্থ বছর,রুটি গ্রামের নোয়াব মিয়ার বাড়ির পার্শ্বে বক্্র কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প এলজি এসপি ২০১০-১১ অর্থ বছর,রুটি গ্রামের বাজারের রাস্তায় কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প থেকে বরাদ্ধ ২০১১-১২ অর্থ বছর,রুটি গ্রামের আবু মিয়ার বাড়ির পার্শ্বে বক্্র কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প খাত ২০১১-১২ অর্থ বছর। গত ২১ -৯-২০১২ইং উপজেলা নির্বাহী অফিসার আখাউড়া মোহাম্মদ আবুল হাশেম জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কাছে পাঠানো প্রতিবেদনে সার্বিক মন্তব্য করেনঃ আব্দুল হান্নান ইউপি সদস্য,ধরখার ইউপি বর্ণিত প্রকল্পের টাকা আত্বসাৎ করেছেন। এ ব্যাপারে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। তাই তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ইউপি সদস্য আব্দিুল হান্নানের  বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুনরায় অনুরোধ করেন। কিন্ত এই যাবৎ সরকারী ভাবে একাধিক বার সরেজমিনে তদন্ত প্রমাণ পাওয়া গেলেও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে ফাইলটি চাপা পড়ে যায় বলে আবেদনকারী বাদল মিয়া জানান। তাই ধরখারবাসীর পক্ষে রুটি গ্রামের পক্ষে সরকারী বরাদ্ধকৃত ৮টি প্রকল্পের ৭লাখ ৬৮হাজার টাকা আত্বসাৎকারী ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নানের বিচারের দাবীতে শেষ ভরসার স্থল দেশের প্রধান মন্ত্রীর কাছে তার কার্যালয়ে আবেদন।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares