Main Menu

আশুগঞ্জে দায়িত্ব অবহেলায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি ৬ মাসেও

+100%-

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দায়িত্বে অবহেলায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিনেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। দুইটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষককে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে শোকজ করে কর্তৃপক্ষ। লিখিত ব্যখ্যা চাওয়া হয়। করা হয় তদন্ত কমিটি। তদন্তও সম্পন্ন। এসবের মধ্যে ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি ঐসব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। তাদের রক্ষা করতে একটি মহল তৎপর। জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। আবার অনেকে ঢাকায় কিংবা আশুগঞ্জ উপজেলার বাইরে থাকেন, ব্যবসা-বাণিজ্য করেন। মাঝে মধ্যে সই দিয়ে স্বাক্ষর করে বিদ্যালয় থেকে চলে যান। তবে নিয়মিত বেতন নিতে ভুল করেন না। যার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখা পড়া বিঘœ  ঘটে। এমন অভিযুক্ত কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ব্যবস্থা নিতে মাঠে নামে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ। নিয়মিত স্কুলে আসে না এমন ৮ জন শিক্ষককে শোকজ করে কর্তৃপক্ষ। তাদের মধ্যে ৩ জন শোকজের জবাব দিয়েছেন। ৫ জন দেননি। তারা হলেন উপজেলার সোহাগপুর দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনির হোসেন,চরলালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক আবু তালেব,চরচারতলা সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বিলকিস বাজার চরচারতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লৎফুন নেছা শেলি,বাজার চারচারতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাইফুল খন্দকার সোহাগ।এদিকে আবারও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে সোহাগপুর উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নারায়ন চন্দ্র ঘোষ, চরচারতলা দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়াজ মোহাম্মদ ও বড়তল্লা সরকারী প্রাথমি বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক জামাল সরকার’র বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা নিজ বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য করছেন প্রকাশ্যে। আবার অনেকে স্কুল চলাকালীন সময়ে বাড়িতে কিংবা ভাড়া বাসা করে কোচিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।এদিকে যার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ সোহাগপুর দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মনির হোসেন। তিনি বিদ্যালয়ে না গিয়ে সব সময় উপজেলা সদরে ব্যস্ত থাকেন উপজেলার র্শীষ কর্মকর্তাদের তোষামোদি নিয়ে। তাদের একাধিক বার শোকজ করা হয়েছে। জেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার তৌফিকুল ইসলামকে আহবায়ক করে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এর কার্যক্রমও জানা যায়নি। তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ফেরদৌসি বেগম জানান, ঘটনাটি তিনি প্রথম শুনলেন। এ বিষয়ে তার কোন কিছু জানা নেই। এব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রুত কুমার বনিক’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা মহাপরিচালকের অফিসে লিখেছি। কিন্তু এখনো কোন  জবাব আসেনি।






Shares