Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ আসন এর জন প্রিয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মোঃ আহসানুল হক মাস্টার

+100%-

মোঃ আব্দুল হান্নান :- গ্রাম প্রধান বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ আসন নাসিরনগর। যার আয়তন ৩১০ বর্গ কিলোমিটার আর লোক সংখ্যা প্রায় ২ ল ৫৫ হাজার ৬৬৮ জন। নাসিরনগর উপজেলা শিক্ষার হার মাত্র ২৭.৮%। এখানে অধিকাংশ কৃষি আর শ্রমজীবি মানুষের বসবাস। নাসিরনগর রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই নাজুক। অধিকাংশ গ্রাম এখনো বিদ্যুৎ শুন্য। আর গ্যাসতো কল্পনাই করা যায় না। এই অবহেলিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে  জম্ম গ্রহন করেন অনেক জ্ঞানী গুনী মনীরিষিরা। যাদের নাম ইতিহাসের পাতায় যুগযুগধরে স্বর্ণারে লিপিবদ্ধ থাকবে।, পরিছিন্ন রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও সারা বাংলাদেশের শ্রেষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে অতীশ দীপংকর স্বর্নপদক ও কবি জসীম উদ্দিন পদক প্রাপ্ত মোঃ আহসানুল হক মাষ্টারের মত অনেক গুনী জনের জন্মস্থান এই নাসিরনগর। যাকে নিয়ে আজকের এই প্রয়াস তিনি হলেন মোঃ আসানুল হক (মাষ্টার)। পিতামৃত- ছবদর আলী, মাতা মৃত- আলেক জাহান বিবি। চার ভাই ও নয় বোন। ভাইদের মাঝে মোঃ আহসানুল হক তৃতীয়। মোঃ আহসানুল হক ১৯৫১ সালের ৭ অক্টবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহি গোকর্ন ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। মোঃ আহসানুল হক ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় বোটানি বিভাগ হইতে এম.এস. সি তে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১১ তম স্থান অধিকার করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রারী হিসেবে যোগদান করে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে বি আর ডিবি অফিসার পদে যোগ দেন। একই বছর খুলনা জুট মিলে চাকুরী নিয়ে পরবর্তীতে চট্টগ্রামের সিতাকুন্ড ডিগ্রী কলেজে বিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে যোগ দান করেন, তা ও তিনি ছেড়ে দিয়ে কুদালা চা বাগানে চাকুরী নেয়। দেশ প্রেম মাটি ও মানুষের ভালবাসা আর নাড়ীর টানে চলে আসেন স্বগ্রাম নূরপুরে। সেখানে নিম্ন ম্যাধমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করে প্রতিষ্টাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দান করেন। ২০১১ সালের ৭  অক্টোবর তিনি উক্ত চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। মোঃ আহসানুল হক একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তার বড়ভাই মোঃ মোজাম্মেল হক কাপ্তান মিয়া ছিলেন একজন সফল রাজনীতি বিদ। ১৯৯৬ সালে মোঃ আহসানুর হক জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে সাধারণ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী প্রার্থী এডঃ ছায়েদুল হকের সাথে পরাজিত হন। ২০০১ সালে মোঃ আহসানুল হক চার দলীয় জোটের (জাতীয় পার্টি নাফি) প্রার্থী হিসেবে ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে দলে আরও দুইজন বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান (সুখন) ও সৈয়দ সাফি মাহমুদ থাকার পরেও আওয়ামীলীগ প্রার্থীর সাথে অল্প ভোটের ব্যবধানের আবারও পরাজিত হন। বড়ভাই মোঃ মোজাম্মেল হক কাপ্তান মিয়া ছিল এম সি এ(সংবিধান রচয়িতা) ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি পরপর দুইবার জাতীয় পার্টি থেকে সফল সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি তৎখালীন সময়ে এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বহু রাস্তাঘাট নির্মান করেন। নাসিরনগর ডিগ্রীমহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। মোঃ মোজাম্মেল হক কাপ্তান মিয়া সাত বারে ৩৫ বৎসর গোকর্ণ ইউনিয়নের সফল চেয়ারম্যান ও ছিলেন। ২য় ভাই মোঃ ইমরানুল হক জেলা পশুসম্পদ কর্মকর্তা থাকা কালে ৪৮ বৎসর বয়সে অকালে মৃত্যৃবরণ করেন তিনি। ছোট ভাই মোঃ আজহারুল হক নির্বাচিত নাসিরনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের কমান্ডার ও স্থানীয় এনজিও লাঙ্গলধরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। গত উপজেলা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী না হওয়ার ইচ্ছা থাকার পরেও জনগণের
অনুরোধে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপি‌’র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে মতাশীন আওয়ামীলীগ প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লেঃ অবঃ মোঃ গোলাম নুরকে প্রায় চার হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন। সৎ, যোগ্য, সফল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,  মাটি ও মানুষের নেতা  হিসেবে এলাকায় রয়েছে তার ব্যপক পরিচিতি ও সুনাম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা কমিটির আহবায়ক। সারা বাংলাদেশে সৎ যোগ্য সেরা জন প্রিয় সফল চেয়ারম্যান হিসেবে উদিয়মান বাংলাদেশ নামক প্রতিষ্ঠান ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় থাকে অতীশ দীপংকর স্বর্ণপদকে ভূষিত করেন। এর পূর্বে ও তাকে কবি জসীম উদ্দিন ক্রেষ্ট প্রধান করেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নির্বাচনীয় এলাকা নাসিরনগরে জনগণের ভালবাসা সিক্ত হয়ে জন প্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন। মোঃ আহসানুল হক সহজ সরল সৎ, শান্তি প্রিয় দেশ প্রেমিক জননেতা হিসেবে জনগণের কাছে সুপরিচিতও নন্দিত ।আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনী এলাকায় ইতিমধ্যেই তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে ।এলাকার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে  লোকজনের সাথে কথা বললে জনপ্রিয়
এই নেতার  নামের ব্যাপক আলোচনা  লোকমুকে শোনা যায় । জনপ্রিয় এই নেতার অনেক ভক্তরা জানান ,আগামী সংসদ নির্বাচনে মোঃ আহসানুল হককে ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী করা হলে, যে কোন দলের প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুন ভোটের ব্যাবধানে নির্বাচিত হয়ে বিজয়ের মালা চিনিয়ে আনবে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares