নবীনগর উপজেলার কেন্দ্রীয় গণ-গ্রন্থাগারটি দের যুগ ধরে তালা বদ্ধ! কিন্তু দেখার কেউ নেই….



মিঠু সূত্রধর পলাশ,নবীনগর প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার প্রধান কেন্দ্রীয় গণ-গ্রন্থাগারটি দের যুগ ধরে তালা বদ্ধ অবস্থায় পরে রয়েছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই….
এই গণ-গ্রন্থাগারটি সরকারি খরচে বিভিন্ন সময় সংস্কার করা হয়েছে। সুধিসমাজের বিভিন্ন জনের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদা তুলে বই কিনা সহ কমিটি করা হলেও গ্রন্থাগারটি প্রতিদিন খোলা কোন উদ্যোগ নেয়া হয় নি। স্থানীয় অনেক পাঠক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই গণ-গ্রন্থাগারটি মানুষের জ্ঞান চর্চার বড় মাধ্য হতে পারতো। এখানে অনেক ভালোমানের বইয়ের সংগ্রহ ছিলো।দিনে পর দিন বন্ধ রেখে হয়তো উই পোকার দখলে চলে গেছে ওই মহামূল্যবান বই গুলি।
স্থানীয়রা আরো জানান, গ্রন্থাগারে বই কিনার কথা বলে আমাদের অনেকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় চাঁদা তোলা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় উপজেলা প্রশাসন সরকারি খরচে গ্রন্থাগারটি সংস্কারও করেছেন। বিভিন্ন মেয়াদে গ্রন্থাগারের কমিটিও করা হয়েছে। কিন্তু এর পরও আলোর মুখ দেখেনি এই গণ গ্রন্থাগারটি। দেখ দেখতে প্রায় দের যুগ ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে গণ-গ্রন্থাগারটি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক জানান, এই গ্রণ-গ্রন্থাগার নিয়ে উপজেলা আইনশৃংখলা সভায় কথা হয়েছে। গ্রন্থাগারটি অচিরেই নিয়মিত খোলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।