Main Menu

সরাইলে ইফতার খেয়ে এক পরিবারের ৭ জন অজ্ঞান

+100%-

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:সরাইলে বাজার থেকে ক্রয় করা ইফতার খেয়ে একই পরিবারের নারী ও শিশু সহ ৭ জন অজ্ঞান হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে ছয় জনকে সরাইল ও গুরুতর অবস্থায় একজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত সোমবার সন্ধ্যার পর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গুনারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন এ কাজটি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন কবির মিয়া (৫২) নামের এক ব্যক্তি। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের পারিবারিক সূত্র জানায়, গ্রামের হিরা মিয়া তার স্ত্রী মেয়ে ও নাতনিরা সহ নয় জন এক পরিবারে বসবাস করেন। গত সোমবার বিকেলে হিরা মিয়ার মেয়ের জামাই শাহআলম গ্রামের শফিক মিয়ার দোকান থেকে ইফতারীর জন্য মুড়ি, আলুর চপ, ছানা বুট ভাজা ও ডালের তৈরী বড়া ক্রয় করে আনেন। এ ছাড়া সরাইল সকাল বাজারের স্বপনের দোকান থেকে ২৫০ গ্রাম মশুরি ডাল নিয়েছেন। সন্ধ্যায়  পরিবারের সকলে মিলে ওই ইফতারি খেয়ে কিছুক্ষণ পর মশুরি ডাল দিয়ে ভাত খান। খাওয়ার ১০-১৫ মিনিট পরই একে একে সকলেই হেলে ঢলে বিছানায় পড়তে থাকেন। দেখতে দেখতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন হিরা মিয়ার শ্বশুড় কাজী বজলুল হক (৭৫), স্ত্রী হেনা বেগম (৫০), মেয়ে সীমা বেগম (২৬), শিল্পী বেগম (২০), অবিবাহিতা তানিয়া বেগম (১৬), দুই নাতনি মেরী বেগম (০৭) ও মিতু বেগম (০৫)। রাতেই বৃদ্ধ বজলুল হকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ও বাকি ছয়জনকে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সরাইল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আর এম ও) ডা: নোমান মিয়া বলেন, ইফতারিতে কোন কিছু মিশানো ছিল। যার ফলে তারা সেটা খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। ব্যক্তিগত কাজে হিরা মিয়া ও তার নাতি সুজাত (১৭) বাড়িতে না থাকায় বেঁচে যান। হেনার একমাত্র বড় ভাই মোঃ কবির মিয়া অভিযোগ করে বলেন, মারজান মিয়া (৩৫) বোরহান মিয়া (৩০) সহ ৬-৭ জন শতাধিক বছরের পুরাতন রেকর্ডের রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে আমার পরিবারকে বন্ধি করে রেখেছে। আমাকে বাড়ি ছাড়া করেছে। আমি সহ পুরো পরিবারকে শেষ করার হুমকি দিচ্ছে। গরীব বলে তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবারের উপর নির্যাতন করে আসছে। তারাই এ কাজ করেছে। তবে অভিযুক্ত মারজান মিয়া বলেন, আমাদের বিরোদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা খাবারের ধারে কাছেও ছিলাম না। ঘটনার পরে শুনেছি।  রাত ১১টায় সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলী আরশাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গ্রামের লোকজনের সাথে এ বিষয়ে কথা বলে ইফতারি খেয়েই তারা অসুস্থ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।






Shares