Main Menu

নারী নির্যাতন মামলার বাদীনির বিরুদ্ধে চুরি চাঁদাবাজী মামলা

+100%-

মোহাম্মদ মাসুদ, সরাইল থেকে
নারী নির্যাতন মামলার বাদীনি পারভীন বেগম (৩৫) প্রতিপক্ষের চুরি চাঁদাবাজী মামলার আসামী হয়ে এখন ফেরার। পারভীনের দায়ের করা মামলার আসামীদের সাথে পুলিশের সখ্যতা ও গ্রেপ্তার না করার অভিযোগ করছেন  বাদী পক্ষের লোকজন। উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের বিশুতারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটছে।

পারভীনের পরিবার, মামলার এজহার ও স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, স্বামী পরিত্যক্তা নিঃসন্তান পারভীন আক্তার বিশুতারা বাবার বাড়িতে থাকেন। তার প্রতিবেশী কাইয়ুম ইসলাম সহ কয়েকজন অসহায়ত্বের সুযোগে পারভীনকে প্রায়ই উত্যক্ত করতো। স্থানীয় কিছু লোকের কাছে বিচার প্রার্থী হওয়ায় তারা আরো ক্ষিপ্ত হইয়া পারভীনকে কলংকিত করার হুমকি দেয়।
গত ১ ফেব্রুয়ারী ভোরে প্রকৃতির ডাকা সাড়া দিয়ে ঘরে ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক কাইয়ুম মিয়া সহ কয়েক পারভীনের মুখ চেপে ধরে বসত ঘরে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা করে। পারভীনের আর্তচিৎকারে তার স্বজনরা ও আশ পাশের লোকজন ছুটে আসে। তারা কাইয়ুমকে আটক করে ফেলে। উত্তেজিত হয়ে কাইয়ুমের স্বজনরা দেশীয় অস্র শস্র নিয়ে পারভীনের পরিবারের লোকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদেরকে বেধরক মারধর করে আহত করে। আহতদের সরাইল হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

৬ ফেব্রুয়ারী পারভীন বাদী হয়ে কাইয়ুম সহ ছয় জনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। বাদীনির অভিযোগ মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও রহস্যজনক কারনে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না। আসামীর সঠিক সন্ধান দিলেও তদন্তকারি কর্মকর্তা নানান তাল বাহানা করেন। ওদিকে এ ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর মহিম মিয়া বাদী হয়ে পারভীন ও তার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে মারধর সহ চুরি এবং চাঁদাবাজীর অভিযোগে মামলা করেন ৯ ফেব্রুয়ারী।

এ মামলাকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সাজানো বানোয়াট বললেও পুলিশের কাছে এর গুরুত্ব বেড়ে যায়।স্থানীয় সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য মোছাঃ আনোয়ারা বেগম বলেন, পারভীনের দায়ের করা মামলার সত্যতা রয়েছে। মহিম মিয়ার মামলার বিষয় সম্পূর্ণ বানোয়াট। গরীব বলে পুলিশ আসামী গ্রেপ্তার না করে উল্টো পারভীনকে ধমক দিচ্ছে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা। তারা সম্পর্কে মামা ভাগ্নি। মারধরের ঘটনাটি সত্য। তবে ধর্ষনের চেষ্টার বিষয়টিতে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। উভয় পক্ষের মূল বিরোধ জায়গা নিয়ে।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

Shares