আশুগঞ্জে নিখোঁজের ১১ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মো. রিফাত (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার ভোর চারটার দিকে উপজেলার খড়িয়ালা গ্রামের মনির মেম্বরের বাড়ির বাথরুমের ছাদ থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রিফাত ওই গ্রামের বাহার মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় বরগুনা জেলার পাথরঘাটার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৪) ও ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়ার আনসার আলীর ছেলে সোলায়মানকে (২২) আটক করা হয়েছে।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম তালুকদার জানান, ৫ জানুয়ারি নিখোঁজ হয় রিফাত। ৬ জানুয়ারী রিফাতের বাবার কাছে ৩০হাজার টাকা মুক্তিপন দাবী করে ফোন আসে।
মুক্তিপণের বিষয়টি পুলিশকে জানালে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে আসামীদের সনাক্ত করে গত ১৩ জানুয়ারী সোহাগ(২৪) ও সোলাইমানকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা রিফাতকে খুন করার কথা স্বীকার করে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ আটককৃতদের ভাড়া বাসা থেকে রিফাতের লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।