Main Menu

আশুগঞ্জে দু’দল গ্রামবাসীর দু’দফা সংর্ঘষে আহত-৫০

+100%-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দু’দল গ্রামবাসীর দু’দফা সংর্ঘষে আহত হয়েছে কমপক্ষে ৫০জন। আহতরা আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালসহ বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে প্রাথমিক ভাবে আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, শুক্রবার সন্ধায় স্কুল ছাত্র রিমন সিএনজি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলা সদরের রেলগেইট থেকে দূর্গাপুর গ্রামে আসেন। এসময় সিএসজি চালক রহুল আমিন অতিরিক্ত ১০ টাকা বেশি ৩০ টাকা ভাড়া দাবি করেন। এসময় কথাকাটির এক পর্যায়ে স্কুল ছাত্র রিমনকে মারধর করে সিএনজি চালক রহুল আমিন। পরবর্তীতে স্কুল ছাত্র রিমন বিষয়টি তাদের দূর্গাপুর গ্রামের হাজী বংশের বংশের মিজান মিয়া মেম্বারকে অবগত করে। মিজান মিয়া মেম্বার বিষয়টি সিএনজি চালক রহুল আমিনের বংশ জারু মিয়া বাড়ীর প্রধান দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান রাসেল মিয়াকে অবগত করার করে ফেরার পথে মিজান মিয়া মেম্বারের উপর হামলা চালায় জারু মিয়ার বাড়ী লোকজন। এই খবর পেয়ে হাজীর বংশ ও জারু মিয়ার বাড়ী বংশের লোজজন সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। এই ঘটনার জের ধরে আবার আজ শনিবার বেলা ১১টা দিকে আবারও দুই বংশের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংর্ঘষে জড়িয়ে পড়ে। দুপুর একটা পর্যন্ত চলা সংর্ঘষে আহত হয় আরও ৩০ জন। এই সময় সংর্ঘষটি পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। উভয়পক্ষের পক্ষে গ্রামের অন্য বংশগুলো সংর্ঘষে অংশগ্রহন করে। তবে হাজী বংশের পক্ষে মোল্লাবাড়ি, হাজী ইউসূব পাড়া ও শরিয়ত উল্লাহ পাড়া এবং জারু মিয়া বংশের পক্ষে নজর বাড়ি, মুন্সিবাড়ি, বামুমুন্সির বাড়ি ও নূরারপাড় বাড়ি লোকজন অংশ গ্রহন করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সংর্ঘষ নিয়ন্ত্রনে আনে।

এই ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন রেজা জানান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।