
সোনিয়ার বাবা মজনু মিয়া জানান, তার মেয়ে সোনিয়া শখের বসে আজ হাতে মেহেদী দিচ্ছিল। সোফায় বসা অবস্থায় একটি বিষধর সাপ তার বাম পায়ে কামড় দিলে সোনিয়া সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তারা সোনিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মেয়ের মৃত্যু সইতে না পেরে হাসপাতালেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মজনু খান।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আরিফুজ্জামান হিমেল জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে সোনিয়াকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। সোনিয়ার পায়ে সাপের দাঁতের কামড়ের চিহ্ন ছিল। বিষধর সাপের কামড়েই তার মৃত্যু হয়েছে।