
জানা গেছে পূর্বে ও অত্র ইউনিয়নের সদস্য মোঃ ইয়াছিন মিয়া উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মহিদুল আলমের যোগসাজশে মৎস্য অধিদপ্তরের সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা ও ১৮ মেট্রিক টন সরকারী গম আত্ম¡সাৎ করে।
ওই বিষয়ে এলাকা বাসীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এডঃ ছায়েদুল হকের নির্দেশে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোয়াজ্জম আহম্মদ বিষয়টি প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্ত করে।এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাচৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমদের সাথে যোগাযোগ করে অভিযোগ সর্ম্পকে জানতে চাইলে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে বলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান।
মোঃ ফুলমিয়ার অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন হাজারী ইউপি সদস্য রোকেয়া বেগম ও বিষ্ণুদেবের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবী করে।
অভিযোগ কারী ফুল মিয়া জানান, চেয়ারম্যান মেম্বারদের নগদ অর্থ ও সরকারী মালামাল আত্ম¡সাত লুটপাটের বিষয়ে এডভোকেট রাখেশ সরকারের বাড়ীতে ওয়ার্ডের জনগণ বসে এক জরুরী মিটিং করে । মিটিংয়ের পর থেকে অভিযুক্তরা ফুল মিয়াকে মারপিট সহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। ফুল মিয়া আরো জানান অভিযোগ করে অভিযোগকারীদের ভয়ে তিনি ও তার পরিবার পরিজন চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মহিদুল আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে অভিযোগের সত্যতা সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিধি মোতাবেক কাজ হয়েছে।