
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী এড: ছায়েদুল হক নাসিরনগরে জেলা আওয়ামীলীগকে উপেক্ষা করে মনগড়া মতো প্রার্থী মনোনীত করেন। পরে ভুল প্রার্থী বাছাই করার কারণে হরিপুর এবং গুনিয়াউক এই দুই ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিধান্ত অনুযায়ী জেলা আওয়ামীলীগ দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়ন দেয়।পরে মন্ত্রী এই দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে পরাজিত করার জন্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন।
জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হওয়া সত্বেও দলীয় সিধান্ত অমান্য করায় জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী এড: ছায়েদুল হককে শোকজ করা হয়। নির্ধারিত সময়ে শোকজের জবাব না দেয়ায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে দল থেকে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী এড: ছায়েদুল হক কে অব্যাহতি দেয়ার সিধান্ত গ্রহন করাহয়। পরে তা সুপারিশ আকারে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের কাছে পাঠানো হয়।
এর পরই মন্ত্রী শীর্ষস্থানীয় দুটি জাতীয় পত্রিকায় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদককে নিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্য সহ মিথ্যা ও করুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এই মন্তব্য মানহানিকর, অভিযোগ এনে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আল মামুন সরকার আজ সন্ধ্যায় ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে মৎস্য প্রাণী সম্পদ মন্ত্রীকে উকিল নোটিশ প্রেরণ করেন। প্রত্যাশিত জবাব না পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান আতিকুর রহমান আঁখি এবং গুনিয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ছামদানি সহ প্রিন্ট ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন গনমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান আতিকুর রহমান আঁখির বক্তব্য