
তিনি গতকাল মঙ্গলবার রাতে সদর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের একথা বলেন। মোকতাদির চৌধুরী এম.পি হাসপাতালের ভাংচুরকৃত প্রতিটি কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি ভাংচুরকৃত এ্যাম্বুলেন্স, মাইনর ওটি এবং চিকিৎসকদের কক্ষ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসা সেবায় যদি কোন ত্রæটি থাকে তাহলে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মিছিল করা যেত, বিক্ষোভ করা যেত কিন্তু কোনভাবেই হাসপাতালে ভাংচুর মেনে নেয়া যায় না। মোকতাদির চৌধুরী এম.পি বলেন, ভাংচুরকারীরা যত শক্তিশালী হউক তাদেরকে দ্রæত আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ইতি মধ্যেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করতে আরো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
উল্লেখ্য গতকাল দুপুরে সদর হাসপাতালে শহরতলী নাটাই গ্রামের শিশু নিলয়ের মৃত্যু হয়। হাসপাতালের চিকিৎসক ও এ্যাম্বুলেন্স চালক হুমায়ুন লস্করের অবহেলায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই অভিযোগে নাটাই গ্রামের উত্তেজিত লোকজন সদর হাসপাতালে হামলা চালিয়ে সদর হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসকদের ১০টি কক্ষ সহ হাসপাতালে ব্যাপক ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা পুলিশের উপর চড়াও হয়। এতে পুলিশ সহ ১০জন আহত হয়।