
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য ও হালুয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আমোদা বেগম ইউনিয়ন পরিষদের টাকায় একটি পুকুরের রিটার্নিং দেয়ালের সংস্কার কাজ পান। এই কাজ নিয়ে শুক্রবার সকালে একই ইউনিয়নের মুগলটুলী গ্রামের শহীদ মিয়া ও মাখন মিয়ার সাথে বাক্-বিতন্ডা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় শালিসকারকরা রাতে বৈঠকে বসে সমাধান করে দেন। কিন্তু মুগলটুলী গ্রামের শহীদ মিয়া ও মাখন মিয়ার সমর্থকরা শনিবার দুপুরে হালুয়াপাড়া গ্রামের লোকজনদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ১৯ রাউন্ড ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আরশাদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।